
১৯৫৩ সালে লাহোরে আহমেদীয়া'দের উপর গণহত্যা চালানোর জন্য ততকালীন জামাতী আমীর মওদুদীর ফাঁসীর আদেশ হয়; ততকালীন সৌদী বাদশাহ পাকিস্তানকে অনেকটা আদেশ দেয় মওদুদীর জীবন রক্ষা করার জন্য, বিনিময়ে নগদ ডলার ও তেল দেয়; মওদুদী প্রাণে বেঁচে গেছে।
১৯৭১ সালে বাংগলাদেশে গণহত্যার জন্য গোলাম আজমের ফাঁসী হওয়ার জন্য শতাধিক কারণ ছিল; ট্রাইভুন্যাল গোলাম আজমের বয়সকে বিবেচনা করে আজীবন জেল দেয়, এটা বড় ধরণের ভুল ছিল; যাক, তাকে জেলেই মরতে হয়েছে। নিজামীর ফাঁসী হয়ে গেছে; প্যটার্ণ একটা, হয় ফাঁসী নয় জেল।
নতুন যে আমীর হয়েছে, সেও গণহত্যায় ছিল, সে ৫৫ হাজার রাজাকার ও আলবদরের একজন; তার সম্পর্কে খোঁজ নেয়ার শুরু করা হবে শীঘ্রই; এবং তার বিচারও হবে; বিচারে ফাঁসীও হবে।
১৯৭১ সালে ১৮ বছর বয়সী ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য থেকে ৮৫ বছরের জামাত সদস্য স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, পাকী বাহিনীর পক্ষে ছিল। ৫৫ হাজার রাজাকার ও আল বদর পাকী বাহিনীর অংশ হিসেবে মিলিশিয়া বাহিনীতে ছিল; এ ব্যতিত যারা অস্ত্র হাতে নেয়নি, তারা গুপ্তচর ও ভলনটিয়ার হিসেবে কাজ করেছে।
জামাতের ৭৮ বছরের রাজনীতির ফসল হলো ২ টি বড় গণহত্যা ও ২০১৩ সালে বাংলাদেশে জামাতী তান্ডব, ও সব আমীরের ফাঁসী,জেল।
১৯৭১ সালে, তারা ভেবেছিল যে, পাকিস্তান যদি বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ী হয়, তারাই পুর্ব পাকিস্তান চালাবে। মিশরে ওদের আন্তর্জাতিক ভাইয়েরা ক্ষমতা দখল করে, মিশরকে পাথরের যুগে নেয়ার চেস্টা করায়, মিলিটারী দেশটিকে আবার দখল করে নিয়েছে সুযোগ মতো; ওখানকার বর্তমান সরকার মোবারকের পথ অনুসরণ করছে; সাধারণ মানুষের বিপ্লবকে ব্রাদারহুড দখল করেছিল, এখন মিলিটারীর কাছে হারায়েছে, সাধারণ মানুষ মাঝখান থেকে ক্ষতি গুণছে।
জামাত মিশরের ব্রাদারহুডের মতো, কিংবা আইএস'দের মতো বাংলাদেশ দখলের চেস্টা করবে।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



