
আওয়ামী লীগের এ সন্মেলনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে উজ্বল হয়ে থাকবে, শেখ হাসিনার একটি বাক্যের জন্য, তিনি গৃহহীনদের জন্য ফ্রি গৃহ দিতে চেয়েছেন; এটা খুবই সম্ভব। আমি ব্লগে সব সময় লিখে আসছি যে, জাতির ৪ মৌলিক অধিকার পুরণ করার মতো সম্পদ জাতির কাছে আছে। দেশে হয়তো ৮ লাখ পরিবারের থাকার মত গৃহ নেই।
উনাকে আরেকটা পদক্ষেপ নিতে হবে, বড় শহরগুলোতে ঘর ভাড়ার নিয়ম চালু করতে হবে; এবং মালিক হিসেবে এক পরিবার সর্বাধিক কত এপার্টমেন্টের মালিক হতে পারবে, সেটাও কন্ট্রোলের ভেতর আনতে হবে। ঘরের মালিকেরা মানুষের সাথে অমানুষিক হয়ে উঠেছে ভাড়া নিয়ে।
এই ব্লগে বিভিন্ন সময়ে, অনেক ব্লগার লিখে থাকেন যে, জাতির কাছে সবাকেই সাহায্য করার মতো সম্পদ নেই, এরা বেকুব। শেখ হাসিনা দেশ চালান, তিনি জানেন সম্পদ আছে। আসলে, জাতির সবার ৪ মৌলিক অধিকার পুরণের মতো সম্পদ ১৯৭২ সালেও ছিল, শেখ সাহেব ও তাজুদ্দিন সেটা বুঝতে পারেননি; শেখ হাসিনাও দীর্ঘদিন বুঝতে পারেননি। উনি বাধ্য হয়ে পদ্মা সেতু জাতির টাকায় করতে গিয়ে অনুধাবন করছেন যে, জাতির কাছে সম্পদ আছে, মানুষের অধিকার আছে।
তিনি যদি সময় করে ভাবেন, তিনি দেখতে পাবেন যে, জাতির সবাইকে ফ্রি পড়ালেখা করানো সম্ভব, সবাইকে চাকুরী দেয়া সম্ভব, গৃহহীনদের গৃহ দেয়া সম্ভব, সবাইকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া সম্ভব; সম্পদ আছে; কিবরিয়া, সাইফুর রহমান, মুহিতেরা বুদ্ধিমান মানুষ নন।
শেখ হাসিনাকে আজীবন আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকার প্রস্তাব করেছে সন্মেলনের অনেক বক্তা, এর মাঝে পরিচিত মুখ সিলেটের কামরান, এরা রাজনীতি বুঝে না, রাজনীতির ধার ধারে না; এরা আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করে নিজেরা সম্পদের মালিক হয়েছে। বক্তব্যের সময়, শেখ হাসিনার উচিত ছিল কামরানের মত লোককে থামিয়ে দেয়ার।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৬ সকাল ৮:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



