
আমাদের খালেদা জিয়ার স্বামী জেনারেল ছিলেন, সিআইএ উনাকে সাহায্য করে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট করেছিলেন; উনার তিরোধানের পর, উনার জেনারেল স্ত্রী বাংলাদেশ চালায়েছেন ৩৪ বছর; বিএনপির সভাপতি পদে উঠার পর ওখান থেকে নামার কথা ভুলে গেছেন। এখনো কিসব ব্লা ব্লা করছেন, ড: এমাজুদ্দিনরা, আসিফ নজরুলরা েইগুলো শুনে নিজকে রাজনীতিবিদ মনে করছেন।
আমেরিকায়ও খালেদা জিয়া আছেন একজন, উনার আমেরিকান নাম হিলারী, ইনিও ৩০ বছর আমেরিকান রাজনীতিতে বাদুরের মত ঝুলে আছে স্বামীর নাম ব্যবহার করে। জীবনের শুরু করেছেন ছোটখাট সিনেটর পদ থেকে, ফরেন মিনিস্টার ছিলেন। ফরেন মিনিস্টার থাকাকালীন লিবিয়া ও সিরিয়ায় যুদ্ধ লাগায়েছেন; উনার বুদ্ধির অভাবে আইএস'এর উদ্ভব ঘটেছে। ওবামা ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধ বন্ধ করার দায়িত্ব দিয়েছিলেন, উনি বন্ধ না করে, সিরিয়া ও লিবিয়ায় যুদ্ধ লাগায়েছেন; একা সিরিয়ায়, ৪ লাখ মানুষের প্রাণ গেছে, ৩০ লাখ শরণার্থী; আমেরিকার ২ ট্রিলিয়ন ডলার পানিতে ফেলেছেন। এসব যুদ্ধ কে বন্ধ করবে?
স্বামীর প্রভাব কাজে লাগায়ে প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন; বিল ক্লিনটনও লোভী হয়ে পড়েছিলেন; রাস্ট্রীয় পদকে কাজে লাগায়ে ২ জন ভালোই আয় করছিলেন; গত বছরও, কোন বড় চাকুরী না করে ২ জনে মিলে ৭ মিলিয়নের মতো আয় করেছেন; হিলারী ৩০ মিনিট বক্তৃতা দিয়ে সাড়ে ৪ মিলিয়ন আয় করেছেন, যেখানে একজন আমেরিকান সাধারণ শ্রমিক ঘন্টায় ৯ থেকে ১১ ডলারে কাজ করছেন। উনার স্বামী ও উনার কারণে দামী কাজগুলো চলে গেছে চীন, মেক্সিকো, জাপান, ভারতে। প্রতি ঘন্টায় ৪০ ডলারে যারা কাজ করতেন গাড়ীর কারখানায়, এখন তারা কাজ করছেন ১১ ডলারে।
হিলারী ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের জন্য চাঁদা চেয়ে ইমেইল পাঠাায়েছে সরকারী কম্প্যুটার থেকে; নিজের কম্প্যুটার থেকে সরকারী কাজ চালায়েছে নিজেদের দরকারে; ধরা পড়ে মিথ্যা বলেছে। আমেরিকানরা অদক্ষ ও মিথ্যুকদের পছন্দ করে না। আমেরিকার খালেদা জিয়া নিজের যায়গা খুঁজে পেয়েছেন গতকাল।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



