
ট্রাম্পের জয়ে, রাশিয়ান হ্যাকারদের প্রভাব আছে বলে মনে করছে সিআইএ; এটার উপর ইনভেস্টিগেশন হবে; কি জানতে ইনভেস্টিগেশন হবে, তা এখনো পরিস্কার নয়। এটা সঠিক যে, নির্বাচনের ভোটের মেশিন হ্যাক করা কারো পক্ষে সম্ভব ছিলো না, অর্থাৎ ফলাফল বদলানোর মতো কোন হ্যাকিং সম্ভব ছিলো না; তা'হলে এ ধরণের ইনভেস্টিগেশন মানুষের মাঝে ট্রাম্প সম্পর্কে কি ধরণের ধারণার সৃস্টি করবে? আমেরিকান, রাশিয়া, চাইনীজ হ্যাকিং তো প্রতিদিন রুটিন মাফিক চলছে, এটাকে জনসমক্ষে কেন আনা হচ্ছে?
ট্রাম্প এখনো ক্ষমতায় যায়নি, কিন্তু ইন্ডিয়ানায় 'ক্যারিয়ার' এয়ার কন্ডিশনিং কোম্পানীর সাথে একটা চুক্তিতে গেছে; এটা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে বিতর্ক চলছে; ট্রেড ইউনিয়ন ট্রাম্পকে দোষ দিচ্ছে যে, সাড়ে ১১০০ চাকুরী রক্ষার কথা দিলেও ট্রাম্প মাত্র ৮৫০ টি চাকুরী রক্ষা করেছে; আবার, অন্য দিক থেকে ভাবলে, হিলারী তো কোন চাকুরী রক্ষার কথাই বলেনি; তা'হলে কোনটা ভালো? ১১৫০, বা ৮৫০ টি চাকুরী আমেরিকার জন্য কিছু না, তবে বিতর্ক সৃস্টির জন্য একটি বিষয়!
ট্রাম্প বড় বড় পোস্টে সব বড় বড় জেনারেলকে নিয়ে এসেছে, আরো আনবে; জেনারেল ব্যতিতও অরো মিলিটারী অফিসার আসছে অনেক গুরুত্বপুর্ণ পদে; এটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হচ্ছে! অনেকে ভাবছে যে, ট্রাম্প হয়তো যুদ্ধ প্রসারিত করবে, অনেকে ভাবছে যে, মিলিটারীর দক্ষ লোকেরা সাধারণ সিভিলিয়ান রাজনীতিবিদদের চেয়ে অধিক দক্ষ ও দায়িত্বশীল।
বেশীর ভাগ আমেরিকান বিশ্বাস করে যে, রাশিয়ার সাথে আমেরিকার বন্ধুত্ব হতে পারে না, হওয়াও উচিত নয়; এবং হলে, রাশিয়াই লাভবান হবে! ট্রাম্প ভোটের সময়েই পুটিনকে বন্ধু বলেছে, এতে অনেকে আশাবাদী; তারা মনে করে যে, বিশ্বের এই ২ বৃহত্তম মিলিটারী শক্তির অকারণ প্রতিযোগীতা মানবতার জন্য ক্ষতি ছাড়া অন্য কিছুই নয়।
ট্রাম্পের কি করবে, কেহ সঠিকভাবে ম্যাপ এঁকে দেখাতে পারছে না; আবার ট্রাম্পও মুখ খুলছে না; ফলে, সবকিছু ধারণার উপর, কল্পনা নির্ভরশীল; কিন্তু জাতীয় ঐক্য বিঘ্নিত হবার অনেক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে! কোন প্রকারে যদি আমেরিকা আভ্যন্তরীণ কোন সমস্যায় পড়ে, বিশ্বের কি হবে?
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




