
*****আপডেট: ট্রাম্প ইলেকটোরাল ভোটে নির্বাচিত হয়ে গেছে ( সন্ধ্যা ৮টা)।
গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক নির্বাচন আমাদের জন্য এখনো কঠিন বিষয়; আমার মনে হয়, ঢাকা ইউনিভার্সিটির অনেক শিক্ষকও আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পদ্ধতি পুরোপুরি বুঝেন না; ফলে, বাংগালী জাতির বিরাট অংশ গণতন্ত্র ইত্যাদি শব্দগুলো বলতে বলতে হয়রাণ হয়ে গেলেও, উহাকে পুরোপুরি বুঝার মতো অবস্হানে নেই।
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ৩ স্তরে হয়: (১) প্রাইমারী, দলীয় প্রার্থী নির্বাচন (৩) সাধারণ নির্বাচন, প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর পক্ষে 'ইলেকটোরাল কলেজ ভোটার' নির্বাচন (৩) ইলেকটোরাল কলেজ ভোটারদের ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ৩য় স্তরকে পরোক্ষ নির্বাচন মনে হয় অনেকটা।
আজ ৫০ রাজ্যে, ৫৩৮ জন ইলেকটোরাল কলেজ ভোটার ভোট দেবেন, বিভিন্ন সময়ে। রাত ৮/৯টার দিকে পুরো ফলাফল এসে যাবে মিডিয়ায়। ট্রাম্প সাধারণ নির্বাচনে ৩০৬ ইলেকটোরাল ভোট পেয়েছেন, বাকীগুলো পেয়েছেন হিলারী ক্লিনটন; ২৭০ জনের ভোট পেতে হবে জয়ের জন্য।
বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের কিছু মিডিয়া গুজব ধরণের খবর ছড়ায়েছে যে, ইলেকটোরাল ভোটারেরা বিশ্বাসঘাতকতা করে, ট্রাম্পের পাওয়া ভোট ট্রাম্পকে না দিয়ে, হিলারীকে জিতিয়ে দিতে পারে। আমেরিকা সম্পর্কে তাদের ধারণা ভুল। সেই ধরণের ঘটনা ঘটতে হলে, ৩৭ জন ভোটারকে হিলারীর পক্ষে যেতে হবে; আসলে ঐ ধরণের ২/৩ জন আমেরিকান পাওয়া সহজ হবে না।
ট্রাম্প সম্পর্কে মানুষের ভয় কেটে গেছে, তিনি এখন অনেক ব্যাপারে খোলাখুলি কথা বলছেন, এবং দেখা যাচ্ছে যে, তিনি বেশীর ভাগ রাজনীতিবিদ থেকে ভালো বুঝেন। আমেরিকানরা একটি বিষয়ে অন্ধ, সেটা রাশিয়া; বেশীর ভাগ আমেরিকান বিশ্বাস করেছে যে, রাশিয়ার সাথে তাদের বন্ধুত্ব হওয়া সঠিক হবে না। আসলে, বিশ্বের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য রাশিয়া ও আমেরিকার মাঝে বন্ধুত্ব খুবই দরকার, বিশেষ করে পুটিনের সময়ে; আপাতত ট্রাম্প ও পুটিনের মাঝে সম্পর্ক ভালো, যা বিশ্বের জন্য ভালো খবর।
আর যদি ট্রাম্প যুদ্ধবাজ হয়, সেটাও ভালো হবে; একা সিরিয়ান, ইরাকী, আফগানী, ইয়েমেনি ও রোহিংগারা কেন প্রাণ দেবে? বিশ্বের সবাই কিছুটা স্বাদ পাওয়া উচিত!
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ সকাল ৮:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



