
আমেরিকার এবারের ভোটে ট্রাম্পের বিজয়ের পেছনে একটা ফ্যাক্টর হচ্ছে, মেক্সিকান সীমান্তে দেয়াল তোলা, যাতে দরিদ্র মেক্সিকানরা আমেরিকায় প্রবেশ করতে না পারে; ঠিক আছে দরিদ্রদের প্রবেশ ঠেকানোর জন্য দেয়াল; ধনী মেক্সিকানরা আসে প্লেইনে, কিংবা বর্ডার পোস্ট দিয়ে গাড়ীতে, তাদের কেন ঠেকানো হয় না? দেয়াল তোলা হবে, কমপক্ষে ২০ বিলিয়ন ডলার খরচ হবে; কিন্তু যেই পরিমাণ মেক্সিকান আসা যাওয়া করে, তাদের পরিমান ঠিক থাকবে।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যদি একজন আমেরিকান বাংলাদেশের ভিসা চায়, সে ভিসা পাবেই পাবে; একজন ধনী মেক্সিকান ভিসা চাইলেও পাবে। আমেরিকায় ১২ মিলিয়ন দরিদ্র মেক্সিকান আছে, তাদের কেহ যদি নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যায়, আমি ১০০% গ্যারান্টি দিচ্ছি যে, সে বাংলাদেশের ভিসা পাবে না।
দারিদ্রতা ভিসা না পাওয়ার অন্যতম কারণ, দেয়াল তোলার পেছনে অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্রদের ঠেকাও; কিন্তু ভিসা তো দরিদ্রদের বেশী দরকার! মেক্সিকো থেকে দরিদ্ররা আমেরিকায় আসে কাজ করে পরিবার চালানোর জন্য, ওরা ডাকাতী করতে আসে না; একজন মানুষের অধিকার আছে কাজ করে রোজগার করার; সে যে দেশে জন্ম নিয়েছে সেই দেশে কাজ না থাকলে তাকে অন্য দেশে যেতে হবে; নিজের দেশে কাজ নেই বলে কি তাকে না খেয়ে নিজের দেশেই মরতে হবে?
বাংলাদেশের সৃস্টি থেকে মানুষ বেকার ছিল; আজও বেকার আছে; সরকার জানে, হয় চাকুরীর সৃস্টি করতে হবে দেশে, না হয় মানুষকে বিদেশে যাবার সুযোগ করে দিতে হবে; এই ২টি পথই সরকারের দায়িত্ব হওয়ার কথা; এবং বুঝতে হবে, কোনটি স্হায়ী ও সঠিক সমাধান। সরকার যদি মনে করে যে, আমাদের বেকারদের বিদেশেই যেতে হবে, সেটার ব্যবস্হা সরকারকেই করার দরকার ছিলো; কিন্তু আমাদের সরকারগুলো বেকারদের অন্য দেশে যাওয়ার খরচও দরিদ্র বেকারদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে, নিজ খরচে পারলে যাও, না হয় বেকার থাক; কিন্তু ধনীরা বেকার থাকে না; সরকার ও ব্যাংক তাদের ডেকে নিয়ে নতুন ব্যবসা ধরায়ে দেয়, না হয় একটা বড় চাকুরী হলেও দিয়ে দেয়; পুতুল, জয় সবাই একটা বড় চাকুরী পেয়ে গেছে; তারেক, কোকোকে সরকারই ব্যবসায়ী বানিয়ে দিয়েছিল।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




