
আজ ফ্লোরিডায়, ট্রাম্পের শীতকালীন আবাসে চীনের প্রেসিডেন্ট শী জিনপিং'এর সাথে ট্রাম্পের বৈঠক হবে; এই বৈঠকে ট্রাম্প ও শী জিনপিং নিজেদের জাতির পক্ষে হয়ে জিতার চেস্টা করবে মনে হয়। ট্রাম্প অরাজনৈতিক প্রেসিডেন্ট, আর শী জিনপিং চীনের বর্তমান দুর্নীতিযুক্ত জাতীয়তাবাদের প্রতিভু; দুই পক্ষই সম্পদ নিয়ে চিন্তিত, যদিও আমেরিকার জন্য সম্পদের বাহিরে বিশ্ব রাজনীতিও একটি বড় বিষয়; চীন বিশ্ব রাজনীতিতে তেমন ভুমিকা রাখতে পারার কথা নয়, তবে পেছনে থেকে কাঠি নাড়ার জন্য যথেস্ঠ।
চীন গত বছর, আমেরিকায় রপ্তানী করেছে ৪৬৩ বিলিয়ন ডলারের মালামাল; অপর দিকে, আমেরিকা চীনের কাছে বিক্রয় করেছে ১১৬ বিলিয়ন ডলারের মালামাল, চীনের সাথে আমেরিকার গত বছরের ট্রেড-ডেফিসিট ৩৪৭ বিলিয়ন ডলার; এটা আমেরিকার জন্য ভয়ংকর খবর, অর্থাৎ আমেরিকার ভেতরে মালামাল প্রয়োজনীয় পরিমাণ তৈরি হচ্ছে না, অথবা তৈরি করার মতো অর্থনৈতিক অবস্হা নেই!
ট্রাম্প বলছে, অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ নিয়ে চীন আমেরিকার বাজারে তাদের সস্তা মালামাল ঢেলে (ডাম্পিং) দিচ্ছে, যার ফলে, আমেরিকান শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে! যে কাজটি করে ১ জন আমেরিকান শ্রমিক ১০০ ডলার আয় করে, সম-পরিমাণ কাজ করে ১ জন চীনা শ্রমিক ২০ ডলারের কম পাচ্ছে; আবার চীনা সরকারী ও আধা সরকারী কারখানাসমুহ অনেক ক্ষেত্রে সরকারী কাঁচামাল ব্যবহার করে, যেগুলো অনেকটা ফ্রি; এতে উৎপাদন খরচ অনেক কমে যায়। তিব্বতের বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ চীনা সরকার উৎপাদনে ব্যবহার করছে, স্হানীয়রা এর থেকে কিছুই পায় না। এই গেলো সম্পদের দিক।
অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়া নিয়ে আমেরিকা খুবই খারাপ অবস্হানে; উত্তর কোরিয়ার মিলিটারী বাহিনীর এটম বোমা মিসাইল নিয়ে আমেরিকাকে ভাবতে হচ্ছে; তারা কি কারণে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকে টার্গেট করছে, তা মোটামুটি পরিস্কার নয়; দ: কোরিয়ার সাথে উত্তর কোরিয়ার মানসিক দ্বন্ধ আছে, কিন্তু আমেরিকা ও জাপানের সাথে এই মহুর্তে কোন সমস্যা থাকার কথা নয়; তা'হলে, তারা জাপান ও আমেরিকানদের টার্গেট করছে কেন? এটা চীনাদের এক অপ-খেলা। ট্রাম্প সেটা নিয়ে আলাপ করবে আজ।

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




