
ব্লগার "ঢাকার লোক" একটা পোস্ট দিয়েছেন, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২ লাখ বিদেশী দক্ষ প্রফেশানেল বাংলাদেশ থেকে বছরে ৬ বিলিয়ন ডলার আয় করছেন; সাথে সাথে তুলনা করেছেন যে, আমাদের অদক্ষ ও দক্ষ প্রবাসীদের থেকে জাতি ১৫ বিলিয়ন রেমিট্যান্স পাচ্ছেন। রেমিট্যান্স কিন্তু সরকারের আয় নয়, সরকারের রুপান্তিরত হার্ড-কারেন্সী মাত্র; কিন্তু বিদেশী প্রফেশানেলদের ৬ বিলিয়ন ডলার বেতনের একটা অংশ জাতির ব্যয়। জাতিকে চেস্টা করতে হয়, শ্রমের ক্ষেত্রে, সরকারী ও বেসরকারী ব্যয় যেন নাগরিকদের হাতে আয় হিসেবে যায়।
দেশে যে পরিমাণ শিক্ষিত বেকার আছে, ও যেখানে গ্রাজুয়েটরা বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় চাকুরী করছেন, সেখানে কি করে দেশে ২ লাখ বিদেশী কাজে নিয়োজিত আছে? শিক্ষা, ফাইন্যান্স এবং পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন মন্ত্রনালয় এই ধরণের অবস্হাকে কিভাবে দেখছে? তাদের চোখে কি এটা সমস্যা, নাকি স্বাভাবিক ফাইন্যান্সিয়াল ব্যাপার স্যাপার? এই সমস্যা সমাধানের জন্য তারা কি ইউনিভার্সিটিগুলোর সাথে কাজ করছে, নাকি এখনো কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি!
যে দেশ ঘোষণা দিয়ে অদক্ষ শ্রমিক বিক্রয় করে, ও বিদেশী বিনিয়োগ আনার চেস্টা করে যাচ্ছে কয়েক যুগ; সেখানে যে দক্ষ প্রফেশানেলের অভাব আছে, সেটা সরকারের ঘোষণা থেকেই বুঝা গেছে। কিন্তু একটা বিষয় কখনো জানা যায়নি, সরকার এই ব্যাপারে কি করছে।
দেশের অর্ধেক মানুষ অশিক্ষিত, অশিক্ষিতদের চালিয়ে নেয়ার জন্য দরকার দক্ষ প্রফেশানেল; এখন দেখা যাচ্ছে যে, প্রফেশানেলও বিদেশ থেকে আসছে; তা'হলে, দেশ কি করে নিজ পায়ে দাঁড়াবে?
স্কুল,মাদ্রাসা, কলেজ, ইউসিভার্সিটিগুলো পড়ালেখা করাচ্ছে; দীর্ঘদিন নকল করে নিম্নমানের গ্রাজুয়েট বের হয়েছে; এরপর এসেছে প্রশ্ন ফাঁস; অনেক সমস্যার মাঝে এই ২টি সমস্যা গ্রাজুয়েটদের থেকে প্রফেশানেল তৈরির পথে বিরাট বাধা। ব্লগারদের বুঝতে হবে, এটা একটা বড় ধরণের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক, প্ল্যানিং ও সামাজিক সমস্যা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


