
আদম বেপারীরা ডলারের লোভ দেখায়ে সোদীতে বাংগালী মেয়ে বিক্রয় আসছে আজকে কয়েক দশক; আজকে শেখ হাসিনার সময়ও বাংগালী মেয়ে বিক্রয় হচ্ছে আরব দেশে। এরা ঋণ করে সৌদী যায়, অত্যচারিত হয়ে, খালি হাতে ফেরত আসে।
বাংলাদেশের আদম বেপারীরা কয়েক হাজার কোটী টাকা আয় করেছে বাংগালী মেয়েদের সৌদী ও অন্যান্য আরব দেশে বিক্রয় করে; তারা সৌদীর নাম করে, মেয়েদের পাকিস্তানেও নিয়ে গেছে, নিয়ে গেছে দুবাই ও ভারত। এগুলোর শুরু ছিল জেনারেল জিয়ার আমলে; এরশাদের আমলে এসব আদম বেপারীরা সরকারেও ছিলো।
এসব কাহিনী নিশ্চয় রওশন শুনেছে, বেগম জিয়া শুনেছে, শেখ হাসিনা শুনেছে।
জেনারেল জিয়া ও এরশাদ এরা মিলিটারীর লোক; এদের বউ ব্যতিত অন্য মেয়েদের এরা বুয়া হিসেবে দেখে এসেছে আজীবন। বেগম জিয়াকে যেদিন চুল ধরে মইন রোড থেকে বের করেছে, সেই বাসায় ১৭ জন মেয়ে কাজ করতো; কারো মাথায় ধরবে, ১৭ জন মেয়ে কি করছিলো সেখানে?
আজকে, বিশ্বের ইতিহাসে একমাত্র উদাহরণ হচ্ছেন বেগম জিয়া, যিনি জেলের মাঝেও সাথে রেখেছেন কোন এক হতভাগী মেয়েকে, ফাতেমা; এটাই কি ফাতেমার জীবন হওয়ার কথা? নিজের স্বামী সংসার ফেলে, এক স্বাধীন নাগরিক জেলে বাস করছে, এক দুষ্ট কয়েদীর সেবা করতে?
এই রওশন, এই বেগম জিয়া কি আজ অবধি ৫ লাখ বাংগালী মেয়ে কিভাবে আরব দেশে আয় করছে, তার খবর রেখেছেন, এই বাংগালী মেয়েদের বিদেশ যাওয়া বন্ধ করেছেন?
শেখ হাসিনা বলছেন নারীর ক্ষমতায়ন করছেন; উনার নারীর ক্ষমতায়ন মানে কি, চোর রওশনকে বিরোধীদলের নেত্রীর চাকুরী দেয়া, হাম্বল বোম্বল শিরিনকে পার্লামেন্টে বসায়ে দেয়া? কিংবা ম্যাঁওপ্যাঁও সুন্দরীকে সেলফোনের মন্ত্রী বানিয়ে দেয়া?
নারীর ক্ষমতায়ন হলো, প্রতিটি মেয়ে যেন পড়ার সুযোগ পায়, প্রতিটি নারী যেন নিজের সংসারের প্রয়োজনে আয় করার মত দক্ষ হয় ও চাকুরী পায়।
নারীকে সৌদীতে, দুবাইতে বিক্রয় করে, পার্লামেন্টে বিরানী খেয়ে পায়খানা করে, গালগল্প করাকে নারীর ক্ষমতায়ন বলা হয় না, সেটাকে বলে 'নারী পাচার'।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
