
ভারতে দারিদ্রতা দ্রুত কমে আসছে, এবং ২০৩০ সালের দিকে 'ভয়ংকর দরিদ্র' ধরণের মানুষ থাকবে না ভারতে; 'ভয়ংকর দরিদ্র' হচ্ছে, যাদের কিছুই নেই, ঘরের ভিটা, চাকুরী, চিকিৎসা, বা আগামীকালের খাবারেরও নিশ্চয়তা নেই। ভারতের মানুষের মাথাপিছু 'প্রাকৃতিক সম্পদ' বাংগালীদের চেয়ে অনেক অনেক বেশী: ভারতে প্রতি বর্গ-কিলোমিটারে ৩৯০ জন মানুষ বাস করেন মাত্র; চাষের জমি, পাহাড়, বনজংগল, পাথর, বালি, দামী গাছ, খনিজ, গবাদি পশু বেশী; তাদের শিক্ষার হার বেশী, শিক্ষার মান বেশী।
মোগল আমল থেকে শুরু করে, বৃটিশ স্হাপনা, রেললাইন, বন্দর, কলকারখানা, টেকনোলজী, টুরিষ্ট এলাকা, বর্ণিল মন্দির, বিবিধ রাজাদের রাজধানী, ঐতিহাসিক স্হাপনা; এসব দিক থেকে ভারত আসলেই ধনী।
এতসব থাকার পরও ভারতে যেভাবে এতদিন 'ভয়ংকর দারিদ্রতা' ছিলো, সেটাই হতবাক হওয়ার মতো বিষয়; তাদের সেই অবস্হার জন্য বেশ দায়ী তাদের মানিসকতা, ধর্ম ও ধর্মানুসারে মানুষকে বর্ণে বিভক্তিকরণ; ভারতের আরেকটা কারণ হলো, বহুভাষা, বহু সংস্কৃতি। ভারতে, অনেক বর্ণের হিন্দুদের, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খৃষ্টানদের দরিদ্র করে রাখা হয় সাধরণ মানুষ ও সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায়।
যাক, অবশেষে ভারতের মানুষ কিছু একটা পথ খুঁজে পেয়েছেন; আর মাত্র ১২ বছরের মাথায় ভারতে 'ভয়ংকর' দারিদ্রতা থাকবে না; সাধরণ মানুষের জন্য কিছুটা হলেও সুসংবাদ।
তবে এটা ঠিক যে, ২০৩০ সালের মাঝে দারিদ্রতা পুরোপুরি বিলুপ্ত হবে না; কারণ, বিশ্বে বিলিওনিয়ার ও মিলিওনিয়ার জন্ম দেয়ার হারেও ভারত সামনের সারিতে আছে! ফাইন্যান্স একত্রে বিলিওনিয়ার ও 'দারিদ্রতাহীন' মানুষ একই সময়ে প্রসব করতে পারে না; ফাইন্যান্স যখন বিলিওনিয়ার মিলিওনিয়ার বেশী জন্ম দেয়, তখন দরিদ্র মানুষও বেশী জন্ম দেয়; ফলে, ভারত হয়তো ২০৪০ সালে যদি দারিদ্রতামুক্ত হয়, সেটাও ভালো।
বাংলাদেশের মানুষ একজাতি, এক ভাযা, এক সংস্কৃতির সুষম জাতি ছিলো; এখান থেকে দারিদ্রতা দুর করার জন্য কৃষক ও রাখাল ছে্লের প্রচেষ্টাই যথেষ্ট ছিল; কিন্তু এই জাতিকে দরিদ্র করার জন্য অনেক শিক্ষিত বিসিএস'দেরকে রাজনীতিবিদ ও মিলিটারীর সাথে বছরের পর বছর কাজ করে হচ্ছে; আমাদের প্রশাসন আমাদেরকে আফ্রিকানদের মতো দাসে পরিণত করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




