
যারা আগামী ভোটে শেখ হাসিনাকে ভোট দেবেন, তারা ফেয়ার ভোট হলেও উনাকে ভোট দেবেন, ফেয়ার ভোট না হলেও, ওদের ভোট শেখ হাসিনার দিকে চলে যাবে। সমস্যা হচ্ছে, যারা 'ফেয়ার ভোট' চাচ্ছেন, তাঁদের বিরাট অংশ শেখ হাসিনার ক্লাসিক্যাল প্রাথীদের ভোট দেবেন না; তারা অবশ্য 'ফেয়ার ভোটের ফেয়ার ব্যালটটাকে, কোন একজন ফেয়ার প্রার্থীকে দেয়ার দেয়ার চেষ্টা করবেন'; যদি শেখ হাসিনা 'ফেয়ার প্রার্থী' দিতে পারেন, ভোট উনিই পাবেন।
যারা 'ফেয়ার ভোট' চাচ্ছেন, তারা সচেতন ভোটার, তারা একজন 'আন-ফেয়ার প্রার্থী'কে নিশ্চয় ভোট দেবেন না; এদের ভোট শামীম ওসমান, ড: হাছান মাহমুদ, হাজী সেলিম, মায়া, ফালু, আমান উল্লা আমান, লালু ভুলু, ইলিয়াস আলী, ড: খোন্দকার মোশারফ, মওদুদরা পাবেন না; এদের ভোট পেতে হলে, প্রার্থীকে কমপক্ষে ড: কামাল হোসেন, ড: ইউনুছ, ড: আকবর আলী খান, ডা: জাফর উল্লাহর মতো লোক হতে হবে।
শেখ হাসিনা চাইলে, বাংলাদেশে ড: কামাল হোসেন, ড: ইউনুছ, ড: আকবর আলী খান, সহিদুল আলমের মত ২০০ লোক অবশ্যই খুঁজে পাওয়া যাবে; এই রকম ২০০ শতের সাথে আওয়ামী লীগের শ'খানেক মিশিয়ে ৩০০ জনের লিষ্ট করে, 'ফেয়ার প্রার্থীদের' পক্ষে ভোট চাইলে শেখ হাসিনা সহজে জয়ী হবেন।
এই ধরণের 'ফেয়ার প্রার্থী' দিয়ে ফেয়ার ভোট দিলে, ভোটের পদ্ধতি বদলাতে হবে: ভোট হবে, পার্টির প্রতীকে, বা পার্টির নামে; ব্যালটে পার্টির প্রতীকে সীল মারা হবে, এই পদ্ধতিতে ইসরায়েলে ভোট হয়; আমরা একলাফে বিশ্বের সবচেয়ে পরিস্কার গণতন্ত্রের দেশের সারিতে চলে যাবো; তখন কেহ জালভোট, মালভোটের দোষ দিতে পারবে না; সর্বাধিক ইহুদী-ভোটের দোষ দেবে, ইহুদী ভোট হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে ফেয়ার ভোট।
আইয়ুব খানের বেসিক গণতন্ত্র বাংগালীরা পছন্দ করেনি বলেই, বাংগালীরা আলাদা হয়ে গেছেন; আলাদা হওয়ার পর, এখন 'বেসিক গণতন্ত্র, বেসিক ভোট'ও নেই; মানুষ ফেয়ার ভোট চাচ্ছেন; বাংলাদেশ হয়েছিল ন্যায় প্রতিষ্ঠা করার জন্য; ফেয়ার ভোট ব্যতিত ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়; মানুষ ফেয়ার ভোট চাচ্ছেন, ফেয়ার ভোট দিতেই হবে, আজ হোক, কাল হোক; আজকে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
ফেয়ার ভোটের সাথে 'ফেয়ার প্রাথী' দিলে শুধু মাত্র শেখ হাসিনার জয়ের সম্ভাবনা আছে!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৩:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




