
বিএনপি'র দুলু-বুলু-লালু , আলাল-দুলাল'রা মিলে ৩০০ আসনে ৯০০ প্রার্থী কেন দিয়েছে, ইহা কি মাছের বাজার? তারা জেনেশুনেই দিয়েছে, এরা জানে যে, এগুলোর মাঝে বড় অংশ, এমন কি ৮৯৯ জনই বাদ পড়তে পারে; ১ জন টিকে থাকতে পারে, উনি ড: মইন খান। পুরো বিএনপি'তে ড: মইন খান ব্যতিত, ও পুরো আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনা ও মতিয়া চৌধুরী ব্যতিত বাকীগুলো এই দেশের পার্লামেন্টে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখে না; টেনেটুনে নাহিদকে নেয়া যেতে পারে!
বিএনপি বলছে, তাদের ৫০ জন 'হেভি-ওয়েট' নেতাকে বাদ দিয়েছে বাছাইয়ের সময়; আসলে, ওদের দলের ৫০ জন হেভি-ওয়েট সর্দার বাদ পড়ে গেছে; দুষ্টরাই যদি আমাদের পার্লামেন্টে আসবে, বিএনপি থেকে আসবে কেন, আওয়ামী লীগে কি দুষ্টের অভাব পড়েছে নাকি? বিএনপি'র দুষ্টদের সাথে জামাতী কানেকশন আছে; আওয়ামী দুষ্টরা কমপক্ষে মৌলিক বাংগালী, জামাত কিংবা জংগীদের সাথে তাদের এপিলিয়েশন নেই; তা'হলে আওয়ামীগুলোই জাতির চরিত্রের সাথে বেশী মিলবে; জাতি দুষ্টলোকে ভরে গেছে, কিন্তু এই দুষ্টরা জংগিদের ঘৃণা করে!
মির্জা ফখরুল বলেছেন, আপীলে গিয়েও কাজ হচ্ছে না; ওখানেও সব 'সেট-আপ' করা আছে; কোথায়ও বিচার পাওয়া যাচ্ছে না, বিচারের দুয়ার বন্ধ! মির্জা সাহেব ৫ম সংশোধনীর কথা ভুলে গেছেন? নির্বাচনে প্রার্থিতা নয়, শেখ সাহেবকে হত্যা করে, উনার বিচারের পথ বন্ধ করার জন্য সংবিধানও বদলায়েছিল এই বিএনপি! এখন কোর্টের চাবি শেখের মেয়ের হাতে! এখন ৫ম সংশোধনী আরেকবার আনগে গুলশান অফিসে বসে!
এখন মির্জা সাহেবের জন্য একমাত্র পথ খোলা আছে বিদেশী দুতাবাসগুলোতে যাওয়া; ওখানে গেলে ভালো এককাপ গ্রীন-চা খেয়ে চলে আসবেন: আমেরিকা, ভারত, ইউরোপ আর যাই চাক, বিএনপি-জামাতের ইউনিয়নকে বাংলাদেশের সরকারে দেখতে চাইবে না; মির্জা সাহবে আমেরিকা ভ্রমণের সময় জাতিসংগেও গেছেন, যার কাছে নালিশ করতে গিয়েছিলেন, উহা উনার সাথে দেখা করেনি; এখন বাকী আছে আল্লাহের কাছে সুবিচার চাওয়া।
সরকারের উচিত, যারা ২০১৫ সালে ৯১ দিন পেট্রোল-বোমা বিপ্লবে যুক্ত ছিলো সবাইকে পার্লামেন্টের বাইরে রাখা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

