
News to the Link
শেখ হাসিনা জয়ী হওয়ার সাথে সাথে মুহিত কৌশলে আবারো অর্থমন্ত্রীর পদ চেয়েছে; উনাকে চাকুরী না দিয়ে, লন্ডনের সিলেটি এলাকায় অবসরে পাঠানোর দরকার; কিছু রেমিটেন্স আনুক।
বাংগালী জাতিকে কক্ষচ্যুত করেছে জেনারেল জিয়া, বাংগালী জাতিকে স্ত্রীর কক্ষ থেকে প্রবাসী করেছে সাইফুর রহমান সাহেব ও মাল মুহিত! বাংগলী দাস ব্যবসায়ীরা 'রেমিটেন্সের নামে বাংগালীদের দাস হিসেবে বিক্রয়' শুরু করেছে জেনারেল জিয়ার আমল থেকেই; ২০০০ সালের পর, বাংগালীরা ক্রমেই মাতৃভুমিতে কাজ করে, পরিবার ও বউ'এর সংগে থাকতে পারতেন, ও নিজ জাতির জন্য শ্রম দিতে পারতেন; সেই সুযোগ নষ্ট করেছে সাইফুর রহমান ও মুহিত।
সিলেটীরা দীর্ঘদিন থেকে দেশে বউ রেখে বিলাতে পেঁয়াজ কাটতো; সাইফুর রহমানের জীবনের বড় অংশ কেটেছে্ বিলাতের বাংগালী বস্তিতে। মুহিত ছোটবেলা থেকে দেখে আসছে, সিলেটিরা বউ রেখে বিলাত চলে যায়, সেখান থেকে অনেক টাকা পাঠায়, বছর বছর বউয়ের বাচ্ছাও হয়; উনি পুরো বাংগালী জাতিকে সেই অভিজ্ঞা দিয়েছেন। শেখ হাসিনা এবার জয়ী হওয়ার পর, মুহিত বলছেন যে, প্রধানমন্ত্রী চাইলে উনি আবারো ফিরে আসবেন চাকুরীতে; প্রথমত: এই লোক জেলেও নন, চাষীও নন, ইহা সিলেটি পয়সাওয়ালা পরিবারের ছেলে, যাদের বাবারা বিলাতে হোটেলে কাজ করে, উহাকে দারোয়ান বানানোও ভুল হবে।
মুহিত সাহেব আধুনিক অর্থনীতির আসল ২ বিভাগ: ফাইন্যান্স ও ষ্টক-মার্কেট বুঝে না; গতবারের ষ্টক-মার্কেট লুট, জাতীয় ব্যাংকগুলোর ক্যাপিটেল লুটগুলো উনার কারনে হয়েছে; উনার চাপে, প্রাইভেট ব্যাংকগুলোর দেয়া খরাপ ঋণ কিনেছে জাতীয় ব্যাংকগুলো।
বিশ্ব ব্যাংক যখন পদ্মাসেতুর ফাইন্যান্স বন্ধ করেন, মুহিত সাহেব মালয়েশিয়া ও দুবাই থেকেও ৪ বিলিয়ন ঋণ পাবার চেষ্টা করেছিলেন; অবশেষে, শেখ হাসিনা বুঝলেন যে, পদ্মার ঘটনার পর, এই সেতুর জন্য ঋণ কেহ দেবে না, শেখ হাসিনা তখন জাতীয় বাজেটের টাকায় সেতু করতে করতে অগ্রসর হন; তখন মুহিত বলেছিলেন যে, জাতীয় বাজেটের টাকায় করা অসম্ভব! মুহিত সাহেব শেখ হাসিনার মতো একটা সাধারন সমাধানও বের করতে অক্ষম হন। শেখ হাসিনা বাজেটের জন্য দুই পয়সাও কেয়ার করতেন না; তিনি বললেন যে, বাজেটের টাকায় পদ্মা হবে! এরপর, মুহিত গিয়ে ৬ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট চীনা চোরধোরদের দিয়ে দেয়; পদ্মাসেতু বাংগালী ইন্জিনিয়ারেরা করতে পারতেন, বিশ্ব ব্যাংকের করা সব ডিজাইন বাংগালীদের কাছে ছিলো, চীনারা বাংগালীদের অধীনে কাজ করতে পারতো।
উনি ব্যাংকিং'এর ফাইন্যানসিয়াল বুঝেন না; উনি যেইভাবে অকারনে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বাড়িয়েছেন, তার কোন ব্যাখ্যা নেই! আওয়ামী লীগের গুন্ডাপান্ডারা সবাই ব্যাংকের মালিক হয়ে গেছে।
উনি ও সাইফুর রহমান সিলেটি হওয়ায়, উনাদের চোখ ছিলো সব সময় বিদেশে চাকুরী খোঁজার পক্ষে; এরা কোনদিন দেশে চাকুরী স্বষ্টির করার মত যোগ্য ছিলো না; এরা পারিবারিক মুল্যবোধ বুঝেনি কোনদিন; সব সিলেটির ধারণা টাকা আয় করতে হলে, বউ পরিবার ফেলে প্রবাসে যেতে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৫:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




