
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা, এই দুইটি মামলায় বেগম জিয়ার মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে; উনি কারাগারে আছেন; উনার বিপক্ষে আরো ৩৪টি মামলা বিচারের অপেক্ষায় আছে; যেই ৩৪টি মামলার বিচার শুরু হয়েছে, বা হবে, সেগুলো থেকে তিনি জামিন পেতে পারেন, বা নাও পেতে পারেন; কিন্তু নিস্পত্তি হয়ে যাওয়া ২টি মামলা থেকে উনার জামিনের প্রশ্ন উঠছে কেন?
নিস্পত্তি হয়ে যাওয়া মামলার রায়ের বিপরিতে উনি যদি আপীল করেন, আপীল চলতে থাকবে, উনি থাকবেন জেলে, এটাই সাধারণ নিয়ম; আপীলের সময় উনি বাহিরে থাকবেন কেন? শেখ সাহেবের মৃত্যুদিবসে যতবার উনি কেক কেটেছেন, প্রত্যেকবারের জন্য উনাকে কমপক্ষে ৩ বছর করে জেলে রাখা উচিত।
শেখ হাসিনার সাথে যারা বেগম জিয়ার জন্য লবিং করছে, শেখ হাসিনার উচিত হবে না তাদের বিশ্বাস করা, কিংবা তাদের কথায় গলে যাওয়া; উনার মনে রাখা উচিত, উনার বাবাকে যারা হত্যা করেছে, যারা উনার বাবার কবরের উপর বিএনপি গঠন করেছে, তাদের প্রতিনিধি হচ্ছেন বেগম জিয়া; এবং সুযোগ পেলে, এরাই শেখ হাসিনার হাড্ডি দিয়ে স্যুপ বানাবে।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বেগম জিয়ার জেল হয়েছিলো ৫ বছর; এটা অবশ্যই কম ছিলো; আপীল করার পর, সামুতে আমি লিখেছিলাম যে, উনার জেল বেড়ে যাবে; উহা বেড়ে ১০ বছর হয়েছে; ২য় মামলার আপীলের রায়ে উনার জেল বাড়িয়ে দেয়াও সঠিক হবে! বেগম জিয়ার বেলায়, শুধু উনার অপরাধের জন্য বিচার যথেষ্ঠ নয়, জামাতের লোকদের মন্ত্রীসভায় স্হান দেয়ার জন্য উানকে জেলে রাখার দরকার আছে; উনার স্বামীর জন্যও উনাকে জেলে রাখার দরকার আছে, উনার ২ ছেলের জন্যও উনাকে জেলে রাখার দরকার আছে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, উনি যুদ্ধকালীন সময়ে পাকীদের সাথে থেকে, বিশ্বাস করতো যে, বাংগালীরা পাকীদের সাথে কোনদিনও জয়ী হতে পারবে না, ১৬ই ডিসেম্বরে উনি পাকীদের মতো দু:খ পেয়েছিলেন, এটার জন্য উনাকে জেলে রাখার দরকার আছে!
উনার বিপক্ষ মানহানী মুনহানীর মামলা করা হলো, লিলিপুটিয়ান মাথার ভাবনাচিন্তা; ৩৪ মামলা করা হলো ইডিয়টের কারখানা; উনার বিপক্ষে ১টা মামলা হওয়ার দরকার: ২০১৬ সালে পেট্রোল বোমা আন্দোলনে "যত নারী প্রাণ হারায়েছেন, আগুনে পুড়ে যত নারী পংগু হয়েছেন", তাঁদের পক্ষে ১টি মামলা করার দরকার, ও সেই মামলায় উনাকে যাবজ্জীবন দেয়ার দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



