
সরকারী বন্ড হলো, নিজ দেশের মানুষ থেকে সরকারের ঋণ গ্রহন; সরকার এই ঋণের টাকা কোথায় বিনিয়োগ করছে, সেটা কেহ জানেন না; পার্লামেন্টে মেজবানের সময়, এমপি'রা সেটা জানতে চাওয়াটা উচিত; সরকার এক বাজেট পিরিয়ডে কত ঋণ নিতে পারবে, সেটাও এমপি'দের হাতে থাকা দরকার। বাংলাদেশে কয়েক কোটী মানুষ সরকারী বন্ডের আয়ের উপর নির্ভরশীল; এদের ভেতর আছেন অবসরপ্রাপ্তরা। সরকার যদি চীন থেকে ২৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়, দেশের মানুষ থেকে ঋণ নেয়ার দরকার হবে? মোটেই দরকার হবে না; এবং যত কম সুদেই চীন থেকে ঋণ নেয়া হোক না কেন, সুদের সেই টাকা চীন চলে যাবে! চীন যদি ২% সুদে ডলারে ঋণ দেয়, চীন চলতে পারবে ভালোভাবে; কিন্তু বাংলাদেশের একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক যদি বন্ডের উপর ৫% সুদ পায়, উনি কি চলতে পারবেন? কখনো পারবেন না। তা'হলে সরকারের কি উচিত, চীন ও ভারত থেকে ঋণ নেয়া?
সরকার পায়রা বন্দর বানাচ্ছে, পদ্মাসেতু বানাচ্ছে, ইলেকট্রিক সাব ষ্টেশন বানাচ্ছে, ইলেকট্রিক ডিস্ট্রিভিউশন লাইন বানাচ্ছে, ৪/৬ লাইন হাইওয়ে বানাচ্ছে; সবই করছে চীনা ইন্জিনিয়ারেরা, চীনের টেকনোলোজী, চীনের ঋণ! বাংগালীরা নিজ দেশে দর্শক, কিংবা আরব ও মালয়েশিয়ার 'অদক্ষ শ্রমিক'। বুড়ো বুড়ীরা চলার জন্য সরকারী বন্ড কিনতো, সেই খাতেও চীন প্রবেশ করেছে; দেশ আসলে বার্মার ভুমিকায় যাচ্ছে! শেখ হাসিনার উচিত, চীনের গ্রেট হলে মিটিং না করে, গ্রামের চা দোকানে মিটিং করা।
চীন নাকি রোহিংগা সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে? রাখাইনের মানুষ কি রোহিংগাদের চায়? বার্মা এখন পুরোপুরি চীনের নিয়ন্ত্রনে, আগামীতে বার্মার প্রেসিডেন্ট হয়তো চীন সরকার থেকে বেতনের চেক নিবে। কিন্তু বার্মার মতো সম্পদ আমাদের নেই; বার্মা আমাদের চেয়ে ৪ গুণ বড় ও লোক সংখ্যা ৬ কোটীর নীচে; ওদের সম্পদ এত বেশী যে, ওখানে ৪/৫টা বিয়ে করাও সম্ভব; বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিয়ে করে না, জিং জিং'ও খেলে না; কাজের মাঝে একটা পারে, রোহিংগা হত্যা করা! আমরা কি বার্মার মতো হতে পারবো, আমাদের কি এত সম্পদ ও এত বেশী মেয়ে আছে? নাকি চাকরাণী, ঝি ও গার্মেন্টস'এর মেয়েদের সংখ্যা, আমাদের প্রশাসনের লোকদের মাথা গুলিয়ে দিয়েছে আজীবন!
চীন যদি রোহিংগা সমস্যা সমাধান করতে চায়, রোহিংগাদের রাখাইনের বাহিরে নিয়ে যেতে হবে; বার্মার যায়গার অভাব নেই; চীন কি এসব করতে রাজী হবে? এর থেকে সহজ হবে, প্রতি রোহিংগা পরিবারের জন্য গড়ে ১০০ হাজার ডলার ক্ষতিপুরণ চাওয়া; এই টাকায় রোহিংগারা আমাদের দেশে কিছু একটা করতে পারবে, কিংবা অন্য দেশে চলে যেতে পারবে। বার্মার লোকজন রোহিংগাদের চাহে না।
আমাদের অর্থমন্ত্রীরা থালায় ভাত দেখেন না, চীনে নুডলস দেখেন; এগুলো খারাপ অর্থনীতি; নিজের মানুষ থেকে ঋণ নিতে হবে, ও বেশী টাকা সুদ দিতে হবে; কম সুদে চীনা ও ভারতীয় ঋণ নেয়া ঠিক হবে না; আর সব সেতু, সব ইলেকট্রিক ষ্টেশন, পোর্ট বানাতে বাংগালী মফিজ মিয়াকে কাজে লাগাতে হবে; চীনা ও ভারতীয় চোর ডাকাত এনে দেশ ভরে ফেলা অন্যায়। বাংগালী মফিজ মিয়া বাঁশ দিয়ে সাঁকো বানালেও কাজের শেষে, রাতে বউয়ের সাথে ঘুমাতে পারবে, ভুমধ্যসাগরে ভাসতে হবে না; আমাদের লোকজন বাঁশের সেতুর উপর দিয়ে চলে আসছে আজীবন।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুলাই, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



