
করোনা রোগী সবচেয়ে বেশী প্রাণ হারায়েছেন কুইন্সের এলমহারষ্ট হাসপাতালে; কারণ, রোগীরা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না; এই পুরো এলাকাটি বহুজাতিক, এই হাসপাতালে আসল সাদা ডাক্তার খুবই কম, কোন সাদা নার্স আছে কিনা আমার সন্দেহ; নার্সিং'এ সাদা মেয়ে না থাকলে এই ধরণের পরিস্হিতে অবস্হা হয় ভয়ংকর। এই হাসপাতালের অনেক নার্স পুয়ের্তোরিকান স্পেনিশ, এরা দেখতে সাদা কিন্তু কমবুদ্ধিমান, কিছুটা সাহসী; কিন্তু সুশৃংখল নয় ও কারো অর্ডার খুব একটা মানে না। এখানে আরো আছে ইউক্রেনের ইহুদী নার্সরা, এরা আগে ছিলো ইউক্রেনিয়ান, এখানে এসে আমেরিকান হয়েছে ও তাদের আগের ধর্মে জুডাইজমে নাম লেখায়েছে; এখন এরা আসলে কেহ না, এরা কি করবে স্বয়ং বিধাতাও জানেন না। এরপর আছে ভারতীয় ও বিদেশী কালো বর্ণের লোকজন, ভারতীয়রা অদক্ষ ও ভীতু, কালো বর্নের লোকেরা নার্সিং'এর মর্ম বুঝে বলে মনে হয় না। এখানে যদি আমেরিকান আফ্রিকান মেয়েদের নেয়া হতো, অবস্হা হয়তো কিছুটা ভালো হতো।
এই হাসপাতালে বেশীরভাগ ডাক্তার হচ্ছেন এশিয়ান ও ইষ্ট ইউরোপিয়ান যারা নিজ নিজ দেশে গ্রেজুয়েশান করেছেন; যেসব এশিয়ান এই দেশে জন্ম নেয়নি, এখানে পড়েনি তাদেরকে আমেরিকান হাসপাতালে চাকুরী দেয়াটা আসলে বড় বেকুবী ছাড়া কিছুই নয়, এবং অন্যায়; ইষ্ট ইউরোপিয়ানদের ডাক্তারী পড়তে দেয়াটাই ক্রিমিনাল কাজ।
করোনা রোগীরা মুলত হাসপাতালে আসে নিমোনিয়া নিয়ে, শ্বাস নিতে পারে না; এখানে সেবার সংগে যুক্ত অনেক টেকনিকালিটি ও রোগীকে শারিরিকভাবে শক্ত রাখার প্রচেষ্টা; এই ধরণের কাজের জন্য দরকার খুবই দক্ষ ও সুশৃংখল মানুষের। এলমহার্ষ্টের ডাক্তার ও নার্সদের অবস্হা দেখলে বুঝা যায় যে, এরা আসলে এই ধরণের কঠিন সেবার জন্য কোনভাবেই প্রস্তুত নন।
নিউইয়র্কের গভর্ণর ব্যাপারটা জানে কিনা কে জানে! তবে ইহা নিজেই বলদ, বাবা ছিলো খুবই নাম করা গভর্ণর; বাবার নামে নিজেই গভর্ণর হয়ে গেছে, কোন যোগ্যতা নেই; ইহা প্রতিদিন টেলিভিশনে ষ্টেটাস দেয়; যাহা ৫ মিনিটে বলা যায়, সেটা বলতে উহার ১ ঘন্টা লাগে; সে আমাকে সামুর কিছু ব্লগারের কথা মনে করিয়ে দেয়, পাতার পর পাতা লেখেন; পোষ্টের মাথা থেকে লেজে যেতে যেতে পাঠকের মাথা থেকে পোষ্টের নামও বাস্পীভুত হয়ে যায়, ভেতরে যা আছে তাহাও পাতার চাপে হারিয়ে যায়।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




