
সাধারণ মানুষ করোনা সম্পর্কে একটি মোটামুটি ধারণা পাবার আগেই, ইহা বেশী ছড়ায়ে গেছে; ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, দ: কোরিয়ার সরকারগুলো বিশ্বের অন্য দেশগুলোর সরকার থেকে বেশী দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে, তারা ইহাকে দক্ষতার সাথে কন্ট্রোল করছে। পশ্চিমের মানুষ যথেষ্ট বুদ্ধিমান হলেও, তারা তাদের অর্থনৈতিক সিষ্টেমের কারণে বেশী ভুগছে: ক্যাপিটেলিজমে জনস্বাস্হ্য নিয়ে প্রাইভেট কোম্পানীগুলো ব্যবসা করে; মানুষের জীবন-মরণ যদি ব্যবসায়ের অংশ হয়ে যায়, মানুষের জীবন অনিশ্চয়তার মাঝে প্রবেশ করে।
যা হবার হয়েছে, আপনারা ব্লগারেরা করোনা সম্পর্কে অনেকটা বিশেষজ্ঞের লেভেলে লিখেছেন, মন্তব্য করেছেন, আলোচনা করেছেন; এখন এই ভাইরাসটি আপনাদের আর ভীত করার কথা নয়। বাংলাদেশ সরকারের লোকজন যেকোন ব্যাপারে অদক্ষ, কিন্তু করোনা এখন তাদের আশেপাশে চলে এসেছে, তারা এখন ব্যবস্হা নিতে বাধ্য। তারা না পারলে, পারার লোকজন বেরিয়ে আসবে, ব্যবস্হা নিবে; হয়তো, আপনাদের থেকে অনেকেই বিশেষ ভুমিকা পালন করবেন।
মনকে শক্ত করে, ধৈয্য ও বুদ্ধিমত্তার সাথে নিজ নিজ পরিবারকে দেখাশোনা করেন, সম্ভব হলে, প্রতিবেশী অসহায় পরিবারগুলোর পক্ষে কিছু করেন। নিজে সুস্হ থাকার জন্য সর্বাধিক চেষ্টা করেন, শান্ত থাকার চেষ্টা করবেন।
ব্লগে রোগী, অসুস্হ বাচ্চা, অসুস্হ মা'দের ছবি দেবেন না; কোন অবস্হায় মৃত মানুষ, দাফনের ছবি ইত্যাদি পোষ্ট করবেন না; মহামারীর সময় কোন ছবি দিতে হয় না; এমনিতে সবাই সবকিছু বুঝেন।
আর বলার কি আছে? সবাই নিজের সধারণ জ্ঞানকে কাজে লাগান, ব্লগিং করেন; সময়ের সাথে মিল রেখে ব্লগিং করার চেষ্টা করেন; অকারণে হতাশা ছড়াবেন না, পরিস্হিতি বুঝে চলুন; বিশ্ব চেষ্টা করছে টিকা ও ঔষধ বের করতে, মানুষ জয়ী হবে; টিকার হিউম্যান টেষ্ট শুরু হয়েছে; এগুলো যখন বের হবে, বাংলাদেশও পাবে; ভয়ের কিছু নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




