
করোনায় যাদের আয় বন্ধ হয়ে গেছে, যাদের চাকুরী যাবে, যেসব ছোটখাট দোকানীরা শহর ত্যাগে বাধ্য হচ্ছে, এদেরকে পুণর্বাসন করতে টাকার দরকার হবে; সরকার প্রয়োজনীয় টাকা দিবে না, মানুষকে নিজের ব্যবস্হা ব্যবস্হা নিজেই করতে হবে। সামনের কোরবাণীতে ৮/৯ বিলিয়ন ডলারের প্রাণী কোরবাণী দেয়া হবে। এইবার করোনা উপলক্ষে কোরবাণী না দিয়ে, কিংবা ছোট আকারে দিয়ে, এবারের কোরবাণীর টাকার একাংশ দিয়ে একটা "করোনা ফান্ড" করা সম্ভব বলে মনে হচ্ছে।
এবার হজ্বেরও ১ বিলিয়ন ডলার বেঁচে যাচ্ছে; এখান থেকে কিছু পেলে, ৫ বিলিয়ন ডলারের একটা ফান্ড সহজেই হয়ে যাবে। যারা ধর্ম সঠিকভাবে পালন করেন, তারা জাতির মানুষের জন্য অবশ্যই এই ধরণের ফান্ডে ৪/৫ বছরের জন্য টাকা দিতে চাইবেন। এই টাকাগুলো "দান" নয়, ঋণ; এবং এগুলোকে "বিনা সুদে" পুণর্বাসনে ব্যবহার করলে ঋণ দাতারা খুশী হবেন।
এই ধরণের ফান্ড থেকে দুস্হ পরিবারগুলোকে খাবারের জন্য কিছু সাহায্য ও নতুন করে আয়ের পথ বের করার জন্য এককভাবে, কিংবা গ্রুপ ঋণ দেয়া যেতে পারে। শহরের কল-কারখানা থেকে যারা চাকুরী হারায়ে গ্রামে আসবে, তাদেরকে স্বাবলম্বী করার জন্য কৃষি কাজের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করার ট্রেনিং দিয়ে, এসব যন্ত্রপাতি কিনে দেয়া যেতে পারে। দুধ উৎপাদনের জন্য ছোট ছোট ফার্ম করে দেয়া যেতে পারে।
এই ধরণের ফান্ড গঠন হতে পারে প্রেসিডেন্টের অধীনে, কিংবা প্রধানমন্ত্রীর অধীনে; প্রশাসনের বাহির থেকে ১৫/২০জন ফাইন্যান্সের লোক নিয়ে এই ধরণের ফান্ড পরিচালনা ও ম্যানেজ করা সম্ভব। সরকার এই ধরণের কিছু করার সাহস করবে না, বা তাদের সেই ধরণের ভাবনাচিন্তা নেই। দেশের ইউনিভার্সিটির শিক্ষকেরা যদি এই ধরণের উদ্যোগ নিয়ে, প্রেসিডেন্ট ও প্রাইম মিনিষ্টারকে বুঝাতে পারেন, ইহা করা সম্ভব।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০২০ রাত ২:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




