
রাশিয়ার পুটিন ও আমেরিকার ট্রাম্প বিশ্বের এক ভয়ংকর মহামারী ও অর্থনৈতিক দুর্দিনের সময়ে মানুষের মাঝে ভয়ংকর এক ভয়ের সৃষ্টি করছে, ভ্যাকসিন নিয়ে ভয়, বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। রাশিয়ার ভ্যাকসিন বাজারে এসে গেছে, আজকে আমেরিকার এফডিএ ঘোষণা করেছে যে, হয়তো "ইমারজেন্সী ষ্টেটাস দিয়ে" করোনা ভ্যাসিন অক্টোবরের মাঝে বাজারে আনবে আমেরিকা। আমেরিকার সবাই বুঝতে পারছে যে, ইহা জোর করে আনার চেষ্টা; ফলে, এই টিকা গ্রহনকারীদের সংখ্যা হয়তো এত কম হবে যে, ইহা করোনার অবসান ঘটাতে পারবে না।
করোনা ভাইরাস আমেরিকাকে অর্থনৈতিকভাবে ১০ বছরের সমস্যায় ফেলে দিয়েছে, ভিয়েতনামকে আগামী কয়েক বছরের জন্য সুবিধাজনক অবস্হানে নিয়ে গেছে; রাশিয়ার অবস্হা কি, রাশিয়ার অর্থনীতিতে করোনার প্রভাব কি? ইহা নির্ণয় করা কঠিন হবে; কারণ, রাশিয়ার অর্থনীতি অনেকটা ভার্চুয়াল: কাঁচামাল বিক্রয় করে চলছে, জনসংখ্যার তুলনায় প্রাকৃতিক সম্পদ অনেক অনেক বেশী, একা গ্যাস, তেল, তামা, হীরক বিক্রয় করে আরো ৫০ বছর এই অবস্হায় চলতে পারবে।
পুটিনের মেয়ে রাশিয়ার ভ্যাকসিন নিয়েছে; আর কেহ নিয়েছে? সেটার খবর নেই! রাশিয়ান বিজ্ঞান নিয়ে মানুষের কোন সন্দেহ ছিলো না কোন কালে; সোভিয়েতের পতনের পর, রাশিয়ানরা সায়েন্স ইত্যাদিতে খুব একটা পেছনে পড়েনি; কিন্তু পুটিনের কারণে রাশিয়ান ভ্যাকসিন মানুষকে ভীত করে তুলেছে। রাশিয়ার ভ্যাকসিনের ৩য় ফেইজ মোটেই করা হয়নি, তার আগে অনুমতি পেয়ে বসে আছে। পুর্ব ইউরোপে এখনো যারা রাশিয়ার মানুষের ব্যাপারে কোমল মতামত পোষণ করেন, তারাও পুটিনের কারণে রাশিয়ান ভ্যাকসিন নেয়ার বিপক্ষে।
আমেরিকার ভ্যাকসিন নেয়ার জন্য একজন পাওয়া যাবে, ট্রাম্পের ভাইস-প্রেসিডেন্ট পেন্স; ট্রাম্পের মেয়ে পুতিনের মেয়ের মতো বাবাকে ভয় পাবার কথা নয়; সুতরাং ট্রাম্পের মেয়ে হয়তো অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করবে; পুটিতনের কথা কেহ না শুনলে, পুতিনের লোকজন বিষ প্রয়োগ করে, রেডিয়েশন প্রয়োগ করে মানুষজনকে হত্যা করে; আমেরিকায় কাউকে ভয় লাগিয়ে কিছু করা সম্ভব হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



