
বর্তমান বৃটিশ প্রাইম মিনিষ্টার বরিস জনসন প্রাক্তন অষ্ট্রেলিয়ান প্রাইম মিনিষ্টার টনি এবোটকে(২০১৩ থেকে ২০১৫) ট্রেইড এডভাইজারের চাকুরী দিয়েছে; এইটি একটি সাধারণ সংবাদ; কিন্তু ইহার গুরুত্ব অনেক। বৃটেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে(২০১৬ ভোট) গেছে, ইহা বৃটেনের জন্য ভালো বলেছে বেশীরভাগ বৃটিশ নাগরিক; ঠিক আছে, ইহা ভালো; কিন্তু বৃটেনের ব্যবসা বাণিজ্য চলতে থাকবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে; আগামী কয়েক বছর এসব ট্রেইড নিয়ম কানুন লিখতে হবে, ইহা বড় ধরণের কাজ; এই কাজ করার জন্য বরিস জনসন দেশীয় অর্থনীতিবিদদের সাথে এক মহাদেশের প্রাক্তন প্রাইম মিনিষ্টারকে চাকুরী দিয়েছে।
বর্তমান উন্নত বিশ্বের সব কিছু ঘুরে রাজনীতি, অর্থনীতি, ফাইন্যান্স, টেকনোলোজী, সায়েন্সকে কেন্দ্র করে। আপনারা আমার অনেক পোষ্টে হয়তো পড়েছেন যে, আমি সব সময় ভেবেছি যে, বাংলাদেশ সরকার বিদেশী প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী, টেকনোলোজী মন্ত্রী, রাজনীতিবিদদের চাকুরী দিতে পারে বাংলাদেশে; এতে বাংলাদেশ এক লাফে অনেকটুকু এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের ৫০ বছর জীবনে, যারা ফাইন্যান্স ও প্ল্যানিং মিনিষ্টার ছিলেন, এরা সবাই ছিলেন লিলিপুটিয়ান; আধুনিক অর্থনীতি, ফাইন্যান্স, বাজেট ও উন্নয়ন সম্পর্কে এদের এক পয়সা ধারণাও ছিলো না।
বাংলাদেশের জন্ম থেকে আজ অবধি যারা ইউনিভার্সিটির ভিসি পদে ছিলেন, এরা আধুনিক যুগের পিগমীদের মতো জ্ঞানী ছিলেন; এরা আমাদের ইউনিভার্সিটিগুলোকে গরুঘর ও মাদ্রাসায় পরিণত করে গেছেন।
আমাদের ২টি বড় প্রকল্প: পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল যেভাবে করছে, ইহা গ্রামের রাস্তা বাঁধার মতো গতিতে ও পদ্ধতিতে চলছে; প্রথমত: এই ২টি প্রজেক্ট করার আগে দরকার ছিলো এই দেশের পড়ালেখা ফ্রি করে দেয়া।
যদি টনি এবোটের মতো মানুষকে বাংলাদেশ নিয়ে আসতো, আগামী ২/৩ বছরে বাংলাদেশের অনেক কিছু বদলে যেতো। বৃটেনে অনেক অর্থনীতিবিদ নোবেল পেয়েছেন অর্থনীতিতে; এরপরও বরিস জনসন কেন একজন বিদেশী প্রাইম মিনিষ্টারকে চাকুরী দিয়ে নিয়ে আসছেন? কারণ, বরিস জানেন যে, টনি শুধুমাত্র অর্থনীতি ও ফাইন্যান্সে ভালো, ট্রেইড নেগোসিয়েশনে ভালো তা নয়, টনি একটি দেশ চালায়েছেন, ইহা বিরাট অভিজ্ঞতা।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৩:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



