
*** কমেন্ট ব্যানে আছি, কিছুদিন আপনাদের পোষ্টে কমেন্ট করা হবে না ***
ভারত জুন মাসের মাঝে ২৫০ মিলিয়ন "স্পেশাল প্রাইওরিটি"র মানুষকে টিকা দেয়ার প্ল্যান করেছিলো, সেটা ঘটেবে না, মনে হয়; যদি সেই প্ল্যান কার্যকরী করতে পারে, শতকরা ২০ জন টিকা পেয়ে যাবে। রাশিয়ান টিকাসহ ভারত ৩টি টিকার অনুমোদন দিয়েছে ও ৬টি ম্যানুফেকচারিং সাইটে টিকা উৎপাদন করার কথা।
ভারত নিজদের জন্য উৎপাদনের পাশাপাশি GAVI'র প্রোগ্রামে বিশ্বের আরো ৭০টি দেশের জন্য টিকা উৎপাদন করছে; উৎপাদন শুরু হয়েছে; কিন্তু ভারতের অভ্যন্তরে টিকাদান বেশ শ্লো হওয়ায়, ভাইরাস এখন কন্ট্রোলের বাহিরে; মনে হয়, তারা এখন নতুন পদক্ষেপ নিয়ে টিকা দেয়ার গতি বাড়াবে; তাই, তারা আফ্রিকা ও অন্য দেশের টিকা সরবরাহ বন্ধ করে, নিজেদের ইনভেনটরী বাড়াচ্ছে; ইহা কিন্তু আফ্রিকা ও অনেক গরীব দেশের প্রতি অন্যায়, সব দেশেই মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন!
বাংলাদেশ আফ্রিকার দেশগুলোর মতো দরিদ্র না হয়েও ভারতের উপর নির্ভর করছিলো অকারণে; এখন ভুতের মতো বকছে। আফ্রিকার দেশগুলোকে গরীব করেছে তাদের সরকারগুলো; সরকারের লোকেরা ইউরোপের লোকজন থেকেও ধনী; ইউরোপের ধনী এলাকাগুলোতে আফ্রিকার ধনীদের বাড়ী আছে।
বিশ্বের গরীব দেশগুলো যাতে ধনী দেশগুলোর সাথেই টিকা পায়, সেটার ভার নিয়েছে GAVI, ( Global Alliance for Vaccines and Immunizations ); ইহা পাবলিক-প্রাইভেটদের সন্মিলিত প্রচেষ্টা। এই ধরণের বিশাল সংস্হাগুলো সমস্যা হলো, যারা এসব সংস্হায় বড় বড় অনুদান দেয়, তারাই এসব সংস্হার পরিচালক থেকে শুরু করে বড় বড় পোষ্টগুলোতে নিজেদের লোকজন দেয়, এসব মানুষজনের সমস্যা আছে; এরা কমিশন মমিশন সব ধরণের অন্যায়ের সাথে জড়িত; ফলে, ভারত মারত এসব বড় বড় উৎপাদনের দায়িত্ব পেয়ে থাকে।
আফ্রিকার কিছু কিছু দেশ: চাদ, বুরুন্ডী, ইরিত্রিয়া, তানজানিয়া, ইত্যাদি এখনো কোন ধরণের টিকাকে অনুমোদনও দেয়নি, সময় নেই, ব্যস্ত!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৯:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




