
আমেরিকার শতকরা ২৫ জন টিকা নেবে না; এদেরকে বাধ্য করার মতো কোন আইন আমেরিকায় নেই। যারা টিকা নেবে না, তাদের শতকরা ৪৮/৫১ ভাগ রিপাবলিকান, বাকীগুলোর মাঝে বড় অংশ হচ্ছে বিবিধ ধর্মীয় গোষ্ঠী ও অতি-স্বাস্হ্য সচেতনরা। এ'ছাড়া এখনো শতকরা ৫ জন কোনরূপ সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।
করোনার শুরু হয়েছে চীনে, ক্ষতিগ্রস্ত সবচেয়ে বেশী হয়েছে আমেরিকা; চীনে ঠিক কতজন মারা গেছে, সঠিকভাবে জানা যাবে না; কিন্তু ১জনেরও চাকুরী যায়নি, আমেরিকার ৫০ মিলিয়নের চাকুরী চলে গিয়েছিলো, এখনো ২৫ মিলিয়নের চাকুরী নেই; যাদের চাকুরী আছে, এবং যারা বাড়ীতে বসে কাজ করছে, তাদের প্রডাক্টিভিটি কি পরিমাণ, সেটা নিয়ে আলোচনা এখনো হচ্ছে না, অবস্হা স্বাভাবিক হলে, সেটার খবর বের হবে।
সরকার ইতিমধ্যে ৪ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করে ফেলেছে; ট্রাম্প খরচ করেছে ২.৫ ট্রিলিয়ন, বাইডেন ১.৫ ট্রিলিয়ন; এই টাকাগুলোর বড় অংশ চলে চলে গেছে ধনীদের পেটে, ইহাই ক্যাপিটেলিজমের বড় গুণ। বাংলাদেশেও দেখলাম, গার্মেন্টেস মালিকেরা ঈদ বোনাস দিতে চাচ্ছে, যদি সরকার "প্রনোদনা দেয়"।
আমেরিকার মোটা জনসংখ্যার শতকরা ৩৩ জন ২ ডোজ পেয়ে গেছে, জুলাই মাসের মাস শেষ হওয়ার আগেই সব আগ্রহী ২ ডোজ পেয়ে যাবে। কিন্তু সমস্যা শুরু হবে, যারা টিকা নেয়নি তাদের নিয়ে; যদি শতকরা ২৫ ভাগ বা তার বেশী মানুষ টিকাহীন থেকে যায়, করোনা থেকে যাবে, অর্থনীতি কোনভাবেই আগের মতো অবস্হায় ফিরে যেতে পারবে না।
হোটেল ব্যবসা, পর্যটন ও বিমানের প্যাসেন্জার আরো ২/১ বছর শ্লো থাকবে; আরেকটা সমস্যা দীর্ঘদিন থেকে যেতে পারে, সেটা হলো মল ও রেষ্টুরেন্টে বসে খাওয়া; পর্যটন, হোটেল ও বিমানে কমপক্ষে ১০ মিলিয়ন মানুষ কাজ করেন। মলগুলোর কি অবস্হা হবে বলা কঠিন, অনেক মানুষ অনলাইনে কেনাকাটায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে। মলের ব্যবসা কিন্তু ছোট ছোট রিটেইলার্সদের হাতেও ফিরে আসবে না।
মনে হচ্ছে, আমেরিকা জুলাই/আগষ্ট মাসে পুরো অর্থনীতি ফিরে পাচ্ছেনা; অবশ্য বাইডেন ২ ট্রিলিয়ন ডলার দেশের ইনফ্রাষ্ট্রাকচারে ব্যয় করবে, ইহা আমেরিকার অর্থনীতিতে প্রান সন্চার করার কথা।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মে, ২০২১ বিকাল ৫:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




