
সম্ভাব্য কারণ, বেশীরভাগ মানুষের কাছে পরিস্কার হয়েছে যে, গাজায় ১২২ জন ফিলিস্তিনীর মৃত্যু ও বাড়ীঘর বিনষ্টের জন্য হামাস দায়ী, হামাস বিনা কারণে রকেট ছুঁড়েছে। আরব ও ইহুদীদের মাঝে টেনশন চলছিলো জেরুসালেমে এবার, এবং জেরুসালেমেই মারামারি শুরুও হয়েছে ফিলিস্তিনী ও ইহুদীদের মাঝে; এবারের ঘটনা ফিলিস্তিনী ও পুলিশ থেকে শুরু হয়নি; ফিলিস্তিনী ও ইহুদীদের মাঝে মারামারি শুরু হলে পুলিশ আসে। পুলিশ জড়িত হওয়ার পর, ফিলিস্তিনীরা আল আকসা মসজিদ প্রাংগন দখল করে; মসজিদ প্রাংগনে জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো।
গাজায় কোন ধরণের মারামারি, কোন ধরণের কোন গন্ডগোল হয়নি; বরং, জেরুসালেমের গন্ডগোল ইসরায়েলের ভেতরে কিছুটা ছড়িয়ে পড়ে, সেখানে "ইসরায়েলের আরব নাগরিকেরা ও ইহুদীরা" মারাারিতে জড়াচ্চিলো।
এই অবস্হায় হামাস প্রায় ২০০ রকেট ছোঁড়ে তেল আবিবের দিকে ও জেরুসাললেমের দিকে, জেরুসালেমের দিকে রকেট ছোঁড়া যথাসম্ভব এইবার ১ম বার ঘটেছে; এতে কিছু সাধারণ মানুষজন আহত হয় রকেটে; তখন ইসরায়েলী এয়ারফোর্স গাজা আক্রমণ করে। পরের রাত থেকে গাজার রকেটে তেল আবিবে প্রথম মানুষ মারা যায়।
এখন অবধি, জেরুসালেমে কেহ মারা যায়নি (যথাসম্ভব ), গাজায় মৃত ১২২, আহত ৫'শতের বেশী, ইসরায়েলের ভেতরে ৮ জন ফিলিস্তিনী প্রাণ হারায়েছে, ৭ জন ইহুদী নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
মুসলিম দেশের বেশীরভাগ মানুষ অনুধাবণ করছে যে, হামাসের কারণে এই হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চলছে; মনে হয়, সেই জন্য বেশীরভাগ মুসলিম দেশ চুপ; এমন কি লেবানন ও ইরানের মানুষও অনেকটা চুপ; এ'ছাড়া সব সময় বড় ধরণের প্রতিবাদ আসে মরক্কো ও তিউনিশিয়া থেকে, তারাও অনেকটা চুপ এবার। ব্লগার রাজিব বললেন, হেফাজতও এখনো চুপ বাংলাদেশে।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০২১ রাত ৮:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




