প্রাচীন সভ্যতার সূচনালগ্নে মানুষ যখন লতাপাতা দিয়ে তার ইজ্জত আবরু ঢেকে রাখতো তার কিছুকাল পরেই প্রয়োজন বোধ হয় পায়ে একুজোড়া মানানসই পাদুকার।
সেই প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে রুপকথার সিন্ডারেলা কিংবা এ যুগের আল্ট্রা মডার্ণ ফার্স্ট লেডি ইমেলদা মার্কোসের সহস্রাধিক জুতোর মালিক বনে যাওয়া!
পায়ের সঙ্গী একজোড়া পাদুকা নিয়ে অনেকেই হয়তো অনেক রম্য কিসসা পড়ে অতীত করে ফেলেছেন। অপরদিকে গল্পের রম্য জগৎ থেকে বের হয়ে এলে একজোড়া জুতো না হলেই যে নয় বাস্তবতা তা আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
পথ চলার প্রয়োজনেই হোক কিংবা চলার পথের সঙ্গী জুতোর স্টাইল স্ট্যাটমেন্টই হোক ; এই জুতো নিয়ে ভাবতে হয় ছেলে বুড়ো সকলকেই।
এই জুতো জোড়া নিয়ে ভাবনাটুকু আরো বেড়ে যায়, যখন ভাবা হয় এত শখ করে আট দশটা শো রুম ঘুরে হাজার টাকায় কেনা জুতো জোড়া যদি মসজিদ/মন্দিরের চৌকাঠের সম্মূখ হতে মালিকানা বদলে যায়!
কেমন লাগে তখন? একজন ভূক্তভোগীর কাছে এই প্রশ্ন টা করা মানেই নেহাৎ বোকামো, এমনকি বদমেজাজি হলে উপহার স্বরুপ কানের নিচেও খেতে পারেন।
সো বি কেয়ারফুল এমন ছিচুয়েশনে কাউকে এই ধরণের প্রশ্ন ভূলেও করবেন না!
অবশ্য জুতো চোর কিন্তু তার প্রয়োজনবোধ থেকেই জুতো চুরি করে থাকে!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




