অজ্ঞতাকে পুঁজি করে মনগড়া বকতব্য উপস্থাপনকে বলা যেতে পারে "argumentum ad ignorantiam" যা মোটেই কাম্য নয়!
এসকল অজ্ঞ মানহুশ গুলো হুশ হারিয়ে তাদের কাব্যের নোংরামো তে প্রতিনিয়ত ইশ্বরকে মারা খাওয়াচ্ছেন! ইশ্বর বলতে কেউ আছে নাকি! হুম (নাউজুবিল্লাহ)।
বর্তমানে দু এক লাইন ধর্মদ্রোহী লিখা লিখে লিখায় শ্লীলতা হানি ঘটিয়ে নিজেকে কাব্যকার সাহিত্যিক ভাবাটা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। এসকল মানুষগুলো আবার সমাজে ভালো করেই নিজের অবস্থানটাকে পোক্ত করে স্থান করে নিয়েছে সুশীল,মুক্তমনা হিসেবে খেতাবও পাচ্ছে বেশ! :/
এসকল মুক্তমনারা হয়তো নিজের জন্মদাতাকেও অস্বীকার করতে কুন্ঠা বোধ করেনা। করবেনই বা কেনো? তারাতো সুশীল মুত্রমনা!
মানুষ হলে অবশ্য বিশ্বাস করতো, কিন্তু ওরা যে কলা গাছ ফেটে হয়েছে! ওরা প্রকৃতির সন্তান >.<
লিখাটা প্রকাশ করার আমার কোনো ইচ্ছেই ছিলো না কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে আমার খুব আপনজনদের কেউ একজন এই টপিকটাতে জ্বালিয়ে মারছে!
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




