
লোক লজ্জার আড়াল হয়ে গণিকালয়ের সেই পরিবানু নিজেকে আজ খুব সাদাসিধে ভাবেই ঢেকে রেখেছে তিন প্রস্থ সাদামাটা কালো আলখেল্লার ভিতরে। এই ভেবে যে...
সদ্য গ্র্যাজুয়েট হওয়া ছেলেটা আজ চাকরীর ইন্টারভিউ দিতে বের হয়েই যদি আমার মূখ দেখে তাহলে অমঙ্গল হবে!
না জানি সভ্য সমাজের মান্য গন্য জঘন্য ব্যাক্তিত্ত জনাব রফিক সাহেবের অফিসে চলাচলের পথে বাধা হয়ে দাড়াই!
সব মিলে পরিবানু যখন সমাজের চোখে এক অমঙ্গলের প্রতীক
তখন সে নিজেই সমাজ হতে আড়াল হয়ে পড়েছে সমাজের ভালাই কামনায়!
সমাজ তাকে ভালো থাকতে দেয় নি ঠিকই তাই বলে কি সে সমাজ নষ্ট করবে।
সমাজের চোখে নষ্ট হয়ে যাওয়া পরিবানুর এত অমায়িক আচরণের পরেও সমাজ তাকে এখনো আড় চোখেই দেখে!
"গতর বেইচ্চ্যা খাছ, তর আবার পর্দা কিসের"
ভেবে পাচ্ছি না... পরিবানুর গণিকালয়ে নাম লেখানোটুকুই কি সমাজের অসুস্থতার কারণ নাকি আমাদের সমাজটাই আগে থেকে অসুস্থ ছিলো যার ছোয়াচে ভাইরাস আক্রান্ত করেছে পরিবানুর মত এক অমায়িক ললনার দেহমনে?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




