যুদ্ধাপরাধ নিয়ে এখন একটু বেশীই কথাবার্তা হচ্ছে। কেহ পক্ষে কেহ বিপক্ষে। কেহ বলছে এটি আওয়ামীলীগের একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার। এতো সহজে হাত ছাড়া করবে না। কেহ বলছে এবার না করলে মানুষ আর তাদের বিশ্বাস করবে না। কারো কাছে এটিই দেশের প্রধান সমস্যা, কারো কাছে মাঝারি আবার কারো কাছে (যেমন জামাতিদের কাছে) কোন সমস্যাই না। ইত্যাদি।
আওয়ামীলীগ সরকার অবশ্য নিজেদেরকে নিরাপদ রাখতে এটিকে আবার রিডিফাইন করেছে। "যুদ্ধাপরাধীর বিচার" শব্দটি বাদ দিয়ে "মানবতা বিরোধী অপকর্মের বিচার" শব্দটি পছন্দ করেছে। ডিফেন্সিভ এপ্রোচ।
ব্যাক্তিগতভাবে আমিও যুদ্ধাপরাধীর বিচার বা মানবতা বিরোধী অপকর্মের বিচার চাই। কিন্তু আমি এক্ষেত্রে 'প্রকৃত' অপরাধীদের বিচার চাই।'চিহ্নিত' দের না। 'চিহ্নিত' শব্দটিতে রাজনীতির গন্ধ আছে। আপনি আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হলে আমি আপনাকে অনেক ভাবে 'চিহ্নিত' করতে পারি। সরকার এবং পত্রিকাগুলোতো বরাবর এই কাজই করে।
আমি এক্ষেত্রে বিশ্বাস করি
--সব 'প্রকৃত' যুদ্ধাপরাধী 'চিহ্নিত' নয়।
--সব 'চিহ্নিত' যুদ্ধাপরাধী 'প্রকৃত' যুদ্ধাপরাধী নয়।
আপনারা কি ভাবেন?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


