somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জাফর ইকবাল স্যার বিষয়ক ছাগু প্রশ্ন ও তার উত্তর

১৭ ই আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৫:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সিডাটিভ হিপনোটিক্স এর লেখা থেকে নেওয়া

প্রশ্ন: জাফর ইকবাল আজ খুব স্বাধীনতার চেতনা হয়ে গেছে। কিন্তু একাত্তরে তার ভূমিকা কি ছিলো?

উত্তর: ইয়ে. গোলাম আজম নিজামি সাঈদির একাত্তের ভূমিকা কি ছিলো ? বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুদ্ধিজীবি সনাক্তকরন পাকিস্তানি গান্ডু দের পক্ষে সম্ভব ছিলো না। কারা চিনাইছে বিশাল ঢাকা ভার্সিটির কোয়াটার, বুদ্ধিজীবি দের বাসা। তারপর তাদের দরদে আপনার এবং আপনাদের হিউম্যান রাইটস এর টুনশন। উত্তরের আশায় রইলাম।

সদ্য মুক্তিযোদ্ধা পিতা হারানো পিতা হুমায়ুন আহমেদ যখন মাথায় পাকি আর্মির গুলির বাক্স ক্যারি করে মাইল পথ হেটেছেন, তখন আপনাদের জামাত নেতারা কোন ক্যাম্পে অপেক্ষা করছিলেন যে, কখন মেজর সাহেব নতুন মেয়ে টি কে ধর্ষন করে বের হবেন আর সে ঢুকবেন আবার ধর্ষন করতে। বাকি জোয়ান রা গাই গুল করলেও, পরে তারার লাইন লাগিয়ে সুবেহ সাদিক পর্যন্ত ধর্ষণ চালিয়ে গেছে।
আসলেই, হুমায়ুন জাফর ইকবাল খুবই কাপুরুষ ছিলেন। যুদ্ধের সময় মেয়ে রা গনিমতের মাল ছিলো, প্রচন্ড পড়ুয়া ভাই গুলার মাথায় যৌন চিন্তা আসলোই না। কত্ত বড় গাধা। ইজিলি রাজাকার হয়ে মোজ মাস্তি করতে পারতো, কি বলদ দুই ভাই।

প্রশ্ন: জাফর ইকবালের পারিবারিক সংস্কৃতি জঘন্য। তার মেয়ে বিচে বসে বিয়ার খায়। বন্ধুদের সাথে ছবি তোলে।

উত্তর: চুতিয়া, তোমার হলের রুম রেইড দিলে পাওয়া যায় থ্রি এক্স, চটি ফোল্ডর পিসি তে , তারপাশে ওয়াজ নসীহত অবশ্যই সাঈদির। ধর্মীয় জ্ঞগর্ভ বই। ইন এডিশন, ইউএসএ তে বড় হওয়া একটা মেয়ে একটা বিয়ারের ক্যান খুললে জাত যায় আর, রাজাকার পুত্র ওয়ামি দুই পাশে দুই (নো অফেন্স) অর্ধনগ্ন মেয়ে মানুষের চুমু খায় এবং হার্ড ড্রিঙ্কস নিয়ে মেয়েদের চুমো খেলে, পার্টি শেষে তাদের অন্ধকার গমনে কোন সমস্যা হয় না তার রাজারকার পিতার ধর্মভীরু মনের। ইন্টারেস্টিং

প্রশ্ন: জাফর ইকবালের বেশীর ভাগ লেখা আওয়ামী পন্থী।

উত্তর: ধরি, জাফর ইকবাল বিএনপি পন্থী লেখা লিখলেন। বিএনপি পন্থী লেখা মানে ইনিয়ে বিনিয়ে বলা, ট্রাইবুনাল নিরপেক্ষ না। প্রথম লেখার পর ৩ জন সাথে সাথে তার সাথে যোগাযোগ করবেন। ১. আসিফ নজরুল ২. পিয়াস করিম. তারপর জাফর ইকবালের বলতে হবে, রাজারকার দের বিচার স্বচ্ছ নিরপক্ষ নয়। পক্ষান্তের, দেলোয়ার হোসেন সাইদির বিচার ও ঠিক না। যেই সাঈদি তার পিতা কে হত্যা করে, তার পক্ষে লিখতে হবে।

হিজ ফাদার মার্ডারড বাই সাঈদি, বিএনপি শেল্টরিং সাঈদি এন্ড জাফর ইকবাল শুড রাইট ফর রাজারকার প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে। বিচিত্র তোমাদের যুক্তি

প্রশ্ন মুক্তিযুদ্ধার সন্তান জাফর ইকবাল ট্রাইবুনালে সাক্ষ্য দিতে আসেননি কেন ?

উত্তর:

একটি বহুল প্রচলিত প্রশ্নের উত্তর-
"অনেকেই জানতে চেয়েছেন যে সাঈদী মামলায়
জাফর ইকবাল স্যার কিংবা হুমায়ূন আহমেদ আহমেদ স্যার সাক্ষ্য দেন নি কেন। তাই আজকে স্যারকে আমরা সরাসরি এই প্রশ্নটি করি এবং জাফর স্যার উত্তরে বলেন যে, আসল ঘটনা খুব সহজ। পুলিশ বাসায় এসে স্যারসহ
উনার পরিবারের সবার কাছ থেকে ১৯৭১ সালে উনার বাবার হত্যার সাথে সংশ্লিষ্ট সব
ঘটনা জানতে চায়। যেহেতু উনার বাবা যেখানে শহীদ হন, উনারা ওই এলাকার লোকাল
মানুষ না, সংশ্লিষ্ট সবাইকে চেনার সুযোগ ছিল না। তারপরেও উনাদের কাছে যা ডিটেইলস ছিল
উনারা সব বলেছেন, পুলিশ সবকিছু লিখে নেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত আদালত মনে করেনি যে এই কেসের জন্য
উনাদেরকে ডাকা যায়, এবং ডাকেনি। সবার মত স্যারের পরিবারও অপেক্ষা করে আছে আদালত সব
সাক্ষ্য প্রমাণ থেকে উনার বাবার হত্যাকারীসহ সব যুদ্ধপরাধীদের বিচার করবে।"
সূত্র: Muhammed Zafar Iqbal (Official Page)

"এক প্রশ্নের জবাবে অধ্যাপক জাফর ইকবাল বলেন, ‘আমার বাবা শহীদ হওয়ার বিষয়ে তথ্য নেওয়ার জন্য
আমাদের বাড়িতে তদন্ত সংস্থার লোক গিয়েছিলেন। আমরা তাঁদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছি। কিন্তু
ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য আমাকে কিংবা আম্মাকে ডাকা হয়নি।
ডাকলে নিশ্চয়ই আমরা সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে যেতাম।’"
সূত্র - প্রথম আলো (http: // www. prothom-alo.
com/detail/date/2013-03-01/news/333015

প্রশ্ন: জাফর ইকবাল নাস্তিক।

উত্তর: ১. কোথাও তিনি বলেছে আমি নাস্তিক এবং

তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম সে নাস্তিক তার নাস্তিকতায় জনমানুষের কি কি ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এজ উই নো, হেফাজতে ধর্ম রক্ষায় মসজিদ/ কুরআন শরীফ/ ফুটপাতের দোকান আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলেছে। জাফর ইকবাল কয় জায়গায় এই আগুন জ্বালিয়েছেন ?

জাফর ইকবালের সাথে সমস্যা টা কোথায় ? কি চান তার কাছে ? মাওলানা হয়ে মসজিদের ইমামতি এবং জামাতের মগবাজার অফিসে যাতায়াত ? খালেদা জিয়া কে শফিক রেহমানে মত গোলাপ ফুল দেয়া ? ফারাবি ফাত্তহ দের গুরু হওয়া ?
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চাকরির বন্যা আসার আগেই চাকরির বাজারে খরা!

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৬



জুলাইয়ের পর বলা হয়েছিল দেশে নাকি চাকরির বন্যা বয়ে যাবে। অর্থনীতি ঘুরে দাড়াবে, ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা অর্থনীতিতে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে যাবো। ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিও হবে।

দেশে এমনিতেই কর্মসংস্থানের অবস্থা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কি তাহলে গুহা যুগে ফেরত যাচ্ছি?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫০



বিশ্ব যেখানে উন্নতির প্রতিযোগিতা করছে, কীভাবে জীবনমান আরও উন্নত এবং সহজ করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে আর আমরা ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছি। চারদিকে ভয়াবহ অবস্থা!! চাঁদাবাজি, খুন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×