বিরক্তিকর, ভয়াবহ এবং অবৈধ অটো গুলো বন্ধ হয়ে যাবার পর থেকে রাস্তায় রিকশা কমে যাবার একমাত্র কারন যে পায়ে টানা রিকশাগুলো অবৈধভাবে অটোতে রূপান্তর করা হয়েছিলো সেগুলো পুনরায় পায়ে টানা রিকশা হিসাবে রাস্তায় না নামানো।
দ্রুত গন্তব্যে পৌছাতে মানুষ ব্যাপক হারে অটো'র উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছিলো। তখন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে আয় করা রিকশাচালকদের প্রতি একটা বাড়তি মায়া জন্মেছিলো।
কিন্তু সেই মায়াতে প্রস্ত্রারাঘাত করতে সময় নেয়নি নিমক হারামরা।
অটো গুলো বন্ধ হয়ে যাবার পর থেকে তারা স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুন ভাড়া হাঁকছে এবং আমরা আমজনতা বাধ্য হয়েই তা দিচ্ছি।
১৫ টাকার ভাড়া ২৫ থেকে ৩০ টাকা নিচ্ছে হরহামেশাই। ফলে প্যাসেঞ্জারের সাথে বাকবিতন্ডা লেগেই আছে।
আমি নিজে এর শিকার বেশ কয়েকবার।
অবস্থা যা দাঁড়াচ্ছে তাতে এখনই এদের বেশি ভাড়ার রীতি থেকে সরিয়ে না আনতে পারলে ভবিষ্যতে পস্তাতে হবে।
তখন ২০ টাকার ভাড়াকে ৪০ টাকা স্বাভাবিক ধরা হবে।
আমার ব্যক্তিগত মতামত হলঃ
আজকের এই সমস্যা ইচ্ছা করে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এজন্য সরকার দায়ী। যেভাবে ঢালাওভাবে ওয়ার্কশপগুলোতে পায়েটানা রিকশাকে অটোতে রূপান্তর করা হয়েছে তা আমার জানামতে মোটরযান আইনের লঙ্ঘন। আর সেটা পুলিশ এবং এ বিষয় দেখভাল করা কর্মকর্তারা ও মন্ত্রীর জ্ঞাতেই করা হয়েছে।
এক শ্রেনীর মানুষের পকেট ভারি হয়েছে আর আমরা এখন সেটার মাশুল গুনছি।
আর রিকশাওয়ালাদের আল্লাহ উন্নতি দেন না এই কারনেই। এরা সুযোগ বুঝে মানুষের পকেট কাটে।
রোদ, বৃষ্টি ইত্যাদি কারনের সাথে এখন পকেট কাটছে রিকশা সঙ্কটের অজুহাতে।
(দয়া করে পোষ্টে কেউ রিকশাওয়ালাদের পক্ষে সাফাই গাইতে আসবেন না)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



