somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আসুন নিজেদের ভিতর পরিবর্তন আনি এবং মাথা উচু করে দাড়াই পৃথিবীর বুকে।

১১ ই জুন, ২০১৩ দুপুর ২:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যখন আমাদের দেশকে পাশের ই কোন রাষ্ট্রর মানুষ কাঙ্গাল দেশ ফকিন্নির দেশ বলে তখন আপনার কষ্ট লাগে
কিন্তু যখন আপনি দুর্নীতি করে লুটপাট করে দেশ কে পঙ্গু বানিয়ে দিচ্ছেন তখন আপনার খারাপ লাগেনা।

যখন আমাদের দেশ কে দুর্নীতি গ্রস্ত দেশ বলা হয় যখন বাংলাদেশের নাম কে বিকৃত করে ভাঙ্গা দেশ বলা হয় তখন আপনার খারাপ লাগে।
কিন্তু যখন আপনি একজন দুর্নীতি গ্রস্ত পিতার সন্তান ও সেই দুর্নীতির আয়ের টাকায় আনন্দ ফুর্তি করে বেরাচ্ছেন তখন আপনার খারাপ লাগেনা।

যখন সীমান্তে নিরীহ বাঙালি হত্তা করে বিএসএফ তখন হইহই রই করে বেড়ান ফেসবুকে কারন আপনার তখন কষ্ট লাগে।
কিন্তু যখন আপনি সেই ভারতীয় পণ্য বর্জন করেন না এমনকি ভারতের কম্পানির সিম দিয়ে এফএনএফ করে পুটুঁর পুটুঁর করে তাদের অর্থনীতিতে সচল করে রাখতে সহায়তা করেন তখন আপনার কষ্ট লাগেনা।

যখন ওরা বলে তোমরা তো নিজের যোগ্যতায় নিজ দেশের জাতীয় সঙ্গিত ও বানাতে পারলেনা তখন আপনার কষ্ট লাগে।
কিন্তু যখন আপনি হিন্দি গানে বুদ হয়ে থাকেন তখন আপনার কষ্ট লাগেনা।

যখন ওরা বলে তোমরা তো একটা কলম ও বানাতে পারনা সেই যোগ্য তা তোমাদের নেই তখন আপনার কষ্ট লাগে।
কিন্তু যখন আপনি ওদের তৈরি হুনডা ও পালসার নিয়ে রাস্তা দাপিয়ে বেড়ান তখন আপনার খারাপ লাগেনা।

যখন ২১ ফেব্রুয়ারিতে রক্তের বিনিময়ে বাংলা কে মাতৃ ভাষা স্বীকৃতির দাবি আদায়ের ঘটনা শুনেন তখন আপনার কষ্ট লাগে।
কিন্তু যখন আপনি কারনে অকারনে হিন্দি বুলি আওরিয়ে যান তখন আপনার কষ্ট লাগেনা।

আফসোস যে দেশের মানুষ ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনা সম্পর্কে অবগত নয় তারা সেই দেশের ভাষার মূল্যায়ন কিভাবে করবে? আজ আপনার সন্তান আপনাকে পাপা ম্যাম বলে ডাকছে তারা কি করে বুঝবে নিজ মাতৃ ভাষায় মা বাবা অথবা আব্বা বলে ডাকার শান্তি?

সেটা তো আপনি করবেন না কারন ওগুলো তো সেকেলে তাইনা? আধুনিক হতে হবে বলে কথা।

সময় এসেছে নিজেকে পরিবর্তন করার নিজ দেশ ও নিজ দেশের অর্থনীতিকে সচল করার, আজ থেকে প্রতিজ্ঞা করলাম আর কোন দিন কোন সময় কোন হিন্দি সংস্কৃতির সাথে নিজেকে জড়াবনা। সব সময় সর্বদাই নিজ দেশের পণ্য ব্যাবহারে সচেতন থাকবো।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭

সেই কথিত “তৌহিদী জনতা আজ কোথায়?
--------------------------------------------
আজ বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে উত্তেজনা ইরান বিভিন্ন আরব রাষ্ট্র, ইসরায়েল,মার্কিন সংঘাত নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশের সেই কথিত “তৌহিদী জনতা”, যারা সামান্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৫

Photo - আপলোড না হওয়ায় ইমেজ লিংক:

“দায়বদ্ধতা ও সময়োচিত সিদ্ধান্ত: ২০০৬ থেকে বর্তমানের শিক্ষা”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০০৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংকট একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইস্টার ফ্রাইডে এবং যিসাসের শেষ যাত্রা: জেরুজালেমের স্মৃতিবিজড়িত পথে

লিখেছেন সৈয়দ নাসের, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪




দিলু নাসের
আমার এই তিনটি ছবির সঙ্গে পৃথিবীর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বেদনাবিধুর ইস্টার ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। প্রতিটি ছবিই যেন এক একটি অধ্যায়, একটি যাত্রার, যা শুরু হয়েছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব কিছু চলে গেছে নষ্টদের দখলে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


সংসদ ভবনের লাল ইটের দেয়ালগুলো যদি কথা বলতে পারত, তবে হয়তো তারা লজ্জায় শিউরে উঠত অথবা স্রেফ অট্টহাসি হাসত। আমাদের রাজনীতির মঞ্চটা ইদানীং এক অদ্ভুত সার্কাসে পরিণত হয়েছে, যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান যুদ্ধ: স্বাধীনতা নাম দিয়ে শুরু, এখন লক্ষ্য ইরানকে প্রস্তরযুগে নিয়ে যাওয়া

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:২৩


আমার আট বছরের ছেলে ফোনে ফেসবুক পাতার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, "বাবা, এটা কিসের ছবি"? আমি তার মনোযোগ অন্যদিকে সরানোর বৃথা চেষ্টা করে অবশেষে বললাম, এটা আমেরিকা- ইসরায়েলের ইরানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×