somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে বিলের কোনো রসিদ নেই

০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ঢাকার পাইপলাইন গ্রাহকদের একটা বড় অংশ এই জুলাইয়ে জানিয়েছেন, দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টার বেশি গ্যাস তাঁরা পান না। সেই এক-দুই ঘণ্টাও আসে গভীর রাতে কিংবা ভোরের আগে। ফলে ঢাকার হাজার হাজার রান্নাঘরে ভাত ফোটে রাত তিনটায়। কেউ অ্যালার্ম দিয়ে ওঠেন, কেউ চুলার পাশে বসে ঝিমাতে ঝিমাতে ডাল নাড়েন।

একইভাবে গ্রামে বিদ্যুৎ যাচ্ছে প্রায় প্রতি ঘণ্টায়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, শতভাগ বিদ্যুতায়ন করতে গিয়ে যে অপরিকল্পিত সঞ্চালন লাইন বসানো হয়েছিল, লোড বাড়লে সেগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ক্ষমতার এসিরুমে না বসলে এমন নিরেট ও ফাঁপা যুক্তির জন্ম দেওয়া কোনো সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষের মগজে এমন বায়বীয় যুক্তির চাষ হয় না, এর জন্য সরকারের মসনদ লাগে। ভোক্তা সংগঠন ক্যাব বলেছে, শহর আর গ্রামে ‘সমতাভিত্তিক লোডশেডিং’ ঘোষণার বাইরে কোথাও নেই।

আর মিরপুর, রায়েরবাজার, দক্ষিণ দনিয়া, আফতাবনগর, উত্তরার কয়েকটি সেক্টরে পানি আসে ভোরে, নয়তো দুপুরে, নয়তো আসেই না। বালতি ভরার জন্যও মানুষকে ঘড়ি দেখতে হয়।

ঢাকা দাঁড়িয়ে আছে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু আর শীতলক্ষ্যার ভেতরে। চারদিকে পানি। অথচ ওয়াসার মোট উৎপাদনের ৬৬ শতাংশই আসে মাটির নিচ থেকে, ভূ-উপরিস্থ উৎস থেকে আসে ৩৪ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই হিসাব উল্টো হওয়ার কথা, শহরের ৭০ ভাগ পানি আসার কথা নদী থেকে। আমরা নদীগুলোকে এমন বানিয়েছি যে পাশে দাঁড়িয়েও সেখান থেকে পানি তোলা যায় না। তাই ঢাকা নদীর দিকে হাত না বাড়িয়ে মাটির দিকে ড্রিল করে।

এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকায় কয়েকটা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট বসানো হয়েছিল। সেগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত পানি আসেনি।

আর ড্রিলের হিসাব ভয় ধরানোর মতো। ২০০২ সালে ঢাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ছিল ৪৫ দশমিক ৬ মিটার নিচে। ২০০৭ সালে ৬০ মিটার। ২০২০ সালে ৯৯ মিটার। ২০২৪ সালে ১০৬ মিটার। বিশেষজ্ঞদের হিসাবে এ বছর সেটা ১১৫ মিটার ছাড়িয়ে যাবে। বছরে গড়ে প্রায় তিন মিটার করে নামছে।

গ্রিক পুরাণে আছে এক লোক এরিসিকথন। উনি দেবী ডিমিটারের পবিত্র বনের গাছ কেটে ফেলেছিলেন। ডিমিটার তাঁকে অভিশাপ দিলেন এমন খিদে, যা কোনো খাবারে মেটে না। এরিসিকথন প্রথমে সম্পত্তি খেলেন, তারপর মেয়েকে বিক্রি করলেন, শেষে নিজের শরীর খেতে শুরু করলেন।

ঢাকা এখন নিজের ভিত খাচ্ছে। তবে ঢাকার ভাগ্য আসলে খুব ভালো, বলতে গেলে এক অদ্ভুত ভৌগোলিক আশীর্বাদ নিয়ে এ শহর টিকে আছে। এই বদ্বীপের মাটির গঠনে উপরের দিকে রয়েছে পলির এক শক্ত পুরু আবরণ, যা অনেকটা মজবুত ছাদের মতো কাজ করে। আর নিচের স্তরের বালুর একটা বিশেষ ধর্ম আছে, ভেতর থেকে পানি ফুরিয়ে গেলেও বালুর কণাগুলো ওই পলির ছাদের চাপ সামলে নিজেদের নতুন করে সাজিয়ে নিতে পারে। এই কারণেই এত পানি তোলার পরও জাকার্তা বা মেক্সিকো সিটির মতো ঢাকা শহর দেবে যায়নি এখনও। তবে ভূগর্ভস্থ পানির গবেষকরা বলছেন, ওয়াসা যদি ৩০০ মিটার গভীরে নামে, তখন আর পেছনে ফেরা যাবে না।

ঢাকায় পাইপে পানি আসার আগে পানি আসত মানুষের কাঁধে। ছাগলের চামড়ায় তৈরি থলে, নাম মশক। সেই মশক কাঁধে যাঁরা বাড়ি বাড়ি পানি দিতেন, তাঁরা ভিস্তিওয়ালা। ঢাকার পানি তখন স্বাস্থ্যসম্মত ছিল না, বছরজুড়ে কলেরা লেগেই থাকত। অভিজাত পরিবারগুলো লোক পাঠিয়ে সুদূর মেঘনা থেকে খাওয়ার পানি আনাত।

ঢাকায় পাইপ এসেছে ব্যক্তির দানে, রাষ্ট্রের দায়ে নয়। ১৮৭৪ সালে চাঁদনীঘাটে ওয়াটার ওয়ার্কসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন ভাইসরয়। টাকা দিয়েছিলেন নবাব আবদুল গনি। প্রথমে পঞ্চাশ হাজার, পরে আরও লাখ টাকার বেশি। নবাব আহসানউল্লাহ দেন পঞ্চাশ হাজার, সরকার নব্বই হাজার। ১৮৭৮ সালে কাজ শেষ হলে ঢাকায় পরিশ্রুত পানি সরবরাহ শুরু হয়। একই বছর বাহাদুর শাহ পার্কের উত্তরে বসে শহরের প্রথম ওভারহেড ট্যাংক, স্থানীয়দের মুখে যেটা ‘জলঘর’।

নবাব গনির দানের সঙ্গে একটা শর্ত ছিল। ঢাকাবাসীকে পানি দিতে হবে বিনামূল্যে।

দেড়শো বছর পরে ঢাকার মানুষ পানির বিল দেয়। কেউ কেউ বিল দিয়েও পানি পায় না। পুরান ঢাকায় ওয়াসার স্ট্রিট হাইড্রেন্ট ঘিরে পানি চুরির সিন্ডিকেট বসে গেছে। যে পানি বিনামূল্যে দেওয়ার শর্তে শহরে ঢুকেছিল, সে পানি এখন কেনাবেচা হয়।

১৯০১ সালের আগে সন্ধ্যা নামলে ঢাকা শহর অন্ধকারে ডুবে যেত। ওই বছরের ৭ ডিসেম্বর নবাব আহসানউল্লাহ প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা খরচ করে ঢাকায় বিজলি বাতির ব্যবস্থা করেন। বিকেল পাঁচটা বাজতে না বাজতেই আহসান মঞ্জিলের সামনে ভিড় জমে গিয়েছিল। বোল্টন নামের এক ব্রিটিশ নাগরিক সুইচ টিপে সরবরাহের সূচনা করেন। জেনারেটর বসেছিল নবাবের বাসভবনেই, সরবরাহের কাজ পেয়েছিল অক্টাভিয়াস স্টিল নামের একটা কোম্পানি।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব ইতিহাসেই বলা আছে, কোম্পানির উৎপাদন ক্ষমতা কম থাকায় তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুধু অভিজাত এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

ঢাকায় বিদ্যুতের প্রথম দিনেই ভাগাভাগির নিয়ম ঠিক হয়ে গিয়েছিল। কম আছে, তাই যাদের ক্ষমতা বেশি তারা আগে পাবে। একশো পঁচিশ বছর পরে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিং একই কথা অন্য ভাষায় বলে। ঢাকা আর চট্টগ্রামে লোডশেডিংয়ের মাত্রা তথাকথিতভাবে কম থাকলেও, গ্রামে প্রতি ঘণ্টায় আছে।

দেশে গ্যাস মেলে ১৯৫৫ সালে, সিলেটের হরিপুরে। উত্তোলনযোগ্য মজুত ছিল ২৮ দশমিক ৭৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট, তার ২০ দশমিক ৩৩ ট্রিলিয়ন ইতিমধ্যেই তোলা হয়ে গেছে। ২০১৭ সালে দেশীয় ক্ষেত্র থেকে দিনে ২৭০ কোটি ঘনফুট উঠত, এখন ওঠে ১৮০ কোটি।

আমরা যা তুলিনি, তার একটা অংশ পুড়ে গেছে। ১৯৯৭ সালের ১৪ জুন মৌলভীবাজারের মাগুরছড়ায় মার্কিন কোম্পানি অক্সিডেন্টালের খননের সময় কূপ ফেটে যে আগুন ওঠে, তার শিখা ছিল ছয়শো ফুট উঁচু। আটাশ বছরে বাংলাদেশ ওই ক্ষতির এক পয়সাও আদায় করতে পারেনি। ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জের টেংরাটিলায় কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর গাফিলতিতে পুড়ে যায় প্রায় ৮০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস।

এখন দিনে চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। জুলাইয়ে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন ও কারিগরি ত্রুটির পর সরবরাহ নেমে আসে ২১৫ কোটি ঘনফুটে। ২২ জুলাই বিকেল তিনটায় সারা দেশে লোডশেডিং হয় ৫৬৩ মেগাওয়াট। আড়াই হাজার শিল্পকারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশ্ববাজারে এলএনজির দাম চড়েছে, পেট্রোবাংলার বিল বকেয়া পড়েছে। সরবরাহকারীরা নতুন কার্গো পাঠাতে গড়িমসি করতে পারে, এই আশঙ্কায় অর্থ বিভাগ জরুরি ভিত্তিতে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ভর্তুকির সুপারিশ করেছে।

এত বড় বড় সংখ্যার মধ্যে গ্রাহকের কাছে সবচেয়ে অদ্ভুত লাগে যে হিসাবটা, সেটা অনেক ছোট। মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহকের সংখ্যা ২৫ লাখ ২৫ হাজার। এক চুলার মাসিক বিল ৯৯০ টাকা, দুই চুলার ১০৮০ টাকা। চুলা জ্বলুক বা না জ্বলুক, বিল একই।

তিতাস প্রিপেইড মিটার বসানো শুরু করেছিল ২০০৫ সালে। ২০২২ সাল পর্যন্ত তারা ১১ শতাংশ গ্রাহককে মিটার দিতে পেরেছিল। মিটারওয়ালা গ্রাহকদের বিল বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছিল, দুই চুলার একজন গ্রাহক মাসে গড়ে ৪৫ ঘনমিটার গ্যাস পোড়ান। বিল ধরা হয় ৬০ ঘনমিটারের।

তার মানে মিটারবিহীন গ্রাহক গ্যাস কেনেন না। উনি আসলে কেনেন গ্যাস আসার সম্ভাবনা।

গত দুই মাসে সেই মিটারের প্রশ্নটা বিদ্যুতেও উঠেছে, আরও চড়া গলায়।

জুন মাসের বিল হাতে পেয়ে সারা দেশে গ্রাহকরা বলতে শুরু করেন, ব্যবহার না বাড়লেও বিল এসেছে দুই থেকে তিন গুণ। ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ঈশ্বরগঞ্জ জোনাল অফিসের প্রায় ৭২ হাজার গ্রাহক একই অভিযোগ তোলেন। বরগুনার বেতাগীতেও একই কথা: টানা লোডশেডিংয়ের মাসেও বিল বেড়েছে, কারণ মাঠে গিয়ে মিটার রিডিং না নিয়ে অনুমানে বিল বানানো হয়েছে।

ক্যাব বলেছে, অর্থবছরের শেষে সিস্টেম লস কম দেখানোর জন্য বাড়তি বিল করার প্রবণতা থাকতে পারে, তাই নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে তদন্ত হওয়া দরকার। ঈশ্বরগঞ্জের গ্রাহকদের অভিযোগ আরও সরাসরি। তাঁরা বলছেন, কিছু কর্মকর্তা নিজেদের পদোন্নতি আর প্রশাসনিক সাফল্যের জন্য রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যান বাড়াতে ব্যস্ত।

সরকারের জবাব এসেছে দুই ধাপে। ২৯ জুন বিদ্যুৎ বিভাগ বিতরণ সংস্থাগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলে কয়েকটি হটলাইন নম্বর প্রকাশ করে। ৭ জুলাই সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ জানান, বিল বাড়ার বড় কারণ ট্যারিফ বৃদ্ধি আর ব্যবহার বৃদ্ধি, তবে কিছু ক্ষেত্রে করণিক ভুল পাওয়া গেছে এবং সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে। একই সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, কিছু গণমাধ্যম তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রচার না করায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। গ্রাহকদের অনুরোধ করা হয় বিশৃঙ্খলা না করে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করতে।

গ্যাসে বিল হয় মিটার ছাড়া। বিদ্যুতে বিল হয় মিটার না দেখে। ৭২ হাজার গ্রাহকের অভিযোগে বিল কম আসার কথা একবারও নেই।

দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে ১৪৩টি, মোট উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। বছরের বড় সময় এর প্রায় অর্ধেক বসে থাকে। এপ্রিলে দেখা গেছে, জ্বালানি সংকটে অন্তত ৭১টি কেন্দ্র হয় অচল, নয়তো সক্ষমতার অনেক কম উৎপাদন করছে। ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর বকেয়া প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্র আছে, সংযোগ আছে, লাইন আছে। যা নেই তা হলো ওই কেন্দ্রগুলো চালানোর নগদ টাকা আর জ্বালানি।

এই হিসাবের ফাঁক যিনি নিজের পকেট থেকে মেটান, তিনি গ্রাহক। যাঁর সামর্থ্য আছে, তিনি আইপিএস কেনেন, জেনারেটর কেনেন, ছাদে রিজার্ভ ট্যাংক বসান, পাম্প বসান, এলপিজি সিলিন্ডার আর ইনডাকশন চুলা কিনে রাখেন। এগুলোর কাজ হলো যাতে রাত তিনটায় উঠতে না হয়, যাতে বালতির জন্য ঘড়ি দেখতে না হয়।

যাঁর সামর্থ্য নেই, তিনি দাম দেন ঘুম দিয়ে। রাতে উঠে রান্না, ভোরে উঠে পানি ধরা, গরমে বিদ্যুৎহীন ঘরে জেগে বসে থাকা। এই খরচের কোনো রসিদ নেই, কোনো মন্ত্রণালয়ের বাজেটে এই কলাম নেই, বিবিএসের কোনো জরিপে ঘণ্টার এই হিসাব ওঠে না। অথচ এটাই দেশের সবচেয়ে বড় পরোক্ষ কর, আর আদায় হয় উল্টো দিক থেকে। আয় যার যত কম, তার জীবন থেকে চুরি যাওয়া সময় আর পরিশ্রমের পরিমাণ তত বেশি।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৫
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

I Have a plan / মুচলেকা দিয়ে যাওয়া এবং মুচলেকা দিয়ে ফেরত আসা সরকারের রাষ্ট্র ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৫:৪৬





ওয়াশিংটন – যদিও তিনি এমন একটি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন যার বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে, এবং শক্তিশালী মহলের প্ররোচনায় যাদের হস্তক্ষেপ কখনোই সন্দেহের বাইরে ছিল না, তারেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় কাউকে জয়ী হতে দেয় না

লিখেছেন মুনতাসির, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১১




আমরা প্রায়ই বলি, অমুক এভারেস্ট জয় করেছেন, তমুক কে-টু জয় করেছেন, অমুক অন্নপূর্ণা জয় করেছেন। শব্দটি এতটাই প্রচলিত যে আমরা আর ভাবিই না—আসলে কি পাহাড়কে জয় করা যায়?

আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য প্লাস্টিক কীভাবে আমাদের খাবার ও শরীরে ঢুকছে?

লিখেছেন কাবিল, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০৪


মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) হলো খুব ছোট প্লাস্টিকের কণা। সাধারণভাবে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। এর থেকেও অনেক ক্ষুদ্র কণা আছে—সেগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়। এগুলো এত ছোট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এনসিপিকে মারছে কেন? (অথবা) এনসিপি মার খাচ্ছে কেন?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৪০


(ইহা নাকি এনসিপিকে পিষিয়ে মারবে!)

এনসিপিকে মারছে কেন (?) অথবা এনসিপি মার খাচ্ছে কেন? প্রশ্ন দুটো হলেও আদতে প্রশ্ন একটাই উত্তরও একটাই। বিগত ১৫/১৬ বছর অর্থাৎ খুনি হাসিনার আমলে যাহারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×