somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইতিহাস সাক্ষী দিবে মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমরা উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন জাতি নয়। তারা সেখানে অবস্থান করছেন আদি নিবাস সূত্রেই.

৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইতিহাস
সাক্ষী দিবে মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমরা উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন
জাতি নয়। তারা সেখানে অবস্থান করছেন
আদি নিবাস সূত্রেই........(জাতিসংঘ সহ অন্যান্য
মানবাধিকার সংস্থা গুলোও
রোহিঙ্গা ইস্যুতে অজানা কারনে নীরব। নীরব
সে দেশে শান্তিতে নোবেল
বিজয়ী নেত্রী ‘অং সাং সু চি’,
এভাবে মায়ানমারে মুসলমানদের উপর আর কত
নির্যাতন চলবে?


মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর অবর্ননীয়
নির্যাতন চলছে দিনের পর দিন! দেশটির সীমান্ত
রক্ষীবাহিনী (নাসাকা), সামরিক বাহিনী ও
রাখাইনরা এক যোগে নির্যাতন
চালিয়ে যাচ্ছে দেশটির আরাকান ও অন্যান্য
রাজ্যে অবস্থিত মুসলিমদের উপর। মায়ানমার সরকার
সে দেশের রোহিঙ্গা মুসলিমদের ন্যূনতম নাগরিক
সুযোগ সুবিধা দিতেও নারাজ।
ইতিহাস থেকে জানা যায় মায়ানমারে রাখাইন
সম্প্রদায়ের এককালে স্বাধীন ভূখণ্ড ও রাজ্য ছিল।
এই ভারতীয় উপমহাদেশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়
সর্বপ্রথম যে কয়টি এলাকায় মুসলিম বসতি গড়ে ওঠে,
আরাকান তার মধ্যে অন্যতম। রোহিঙ্গারা সেই
আরাকানী মুসলমানের বংশধর। এক সময়
আরাকানে স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
এরপর ১৬৬০ সাল থেকে আরাকান
রাজা থান্দথুধম্মার আমল থেকে এখন পর্যন্ত
মায়ানমার মুসলমানদের উপর চলে আসছে অবর্ণনীয়
নিষ্ঠুর অমানবিক অত্যাচার নিপীড়ন। এর
মাঝে ১৯৩৭ সালে বার্মা স্বায়ত্তশাসন লাভের
পর বৌদ্ধদের পরিকল্পিত সাম্প্রদায়িক
দাঙ্গা ব্যাপক রূপ নেয় এবং তারা প্রায় ৩০ লাখ
মুসলিম হত্যা করে।
১৯৪৮ সালে বার্মা স্বাধীনতা লাভ করার পর ও এ
নির্যাতন অব্যাহত থাকে। উল্টো ১৯৮২
সালে মায়ানমারের সরকার
সরকারি ভাবে মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের
নাগরিকত্ব বাতিল করে দেয়।
তাদেরকে সে দেশে নাগরিকের বদলে বলা হয়
“বসবাসকারী” সেখানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের
সরকারীভাবে ভোটাধিকার, সাংবিধানিক ও
সামাজিকসহ কোন মৌলিক অধিকারের
স্বীকৃতি দেয়া হয়না।
এরই মাঝে ২০১২ সাল থেকে মায়ানমারের সরকার
ও সেখানকার রাখাইন সম্প্রদায় এক সাথে একরকম
ঘোষণা দিয়েই আবার মুসলিম নিধন যজ্ঞ শুরু করে।
সাম্প্রতিক এ দাঙ্গাকে বৌদ্ধ-মুসলিম জাতিগত
দাঙ্গার নাম দিয়ে এর
আড়ালে থাকা সাম্প্রদায়িক হামলাকে গোপনের
চেষ্টা করে সে দেশের সরকার।
মায়ানমারে বৌদ্ধদের প্রাধান্য, ফলে দেশটির
প্রচারমাধ্যম বৌদ্ধদের নিয়ন্ত্রণে। ফলে মুসলমান
বা রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচার ও নিপীড়নের
সঠিক তথ্য প্রচার করা হয়না সেখানে।
মায়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর
কতটা উদাসীন তা দেখা যায় সামপ্রতিক এক
ঘটনায়। ঘূর্ণিঝড় মহাসেন বাংলাদেশ উপকূল ত্যাগ
করে মায়ানমারের আরাকান রাজ্যে আঘাত করে,
ফলে সেখানে এক নৌকা ডুবিতে বেশ কিছু
রোহিঙ্গা মুসলিম নিখোঁজ হয়, তাদের ৩১ জনের
লাশ ভেসে আসে বাংলাদেশের কক্সবাজার
উপকূলে। বাংলাদেশের পুলিশ সূত্রে জানাযায়
লাশ গুলো মায়ানমারের নাগরিক, তাদের
পকেটে মায়ানমারের কাগজ পত্র ও
মুদ্রা পাওয়া গেছে। লাশগুলো নেওয়ার জন্য
মায়ানমারের
নাসাকা বাহিনীকে বাংলাদেশের
বিজিবি বার বার আহ্বান করলেও তাঁরা এর কোন
উত্তর দেয়নি। ফলে লাশ বাংলাদেশেই দাফন
করা হয়। ইতিহাস
বলে মায়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমরা উড়ে এসে জুড়ে বসা কোন
জাতি নয়। তারা সেখানে অবস্থান করছেন
আদি নিবাস সূত্রেই। তাহলে কেন তাদের উপর এ
জুলুম নির্যাতন। কি অপরাধে তাদের
নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে? বিতাড়িত
করা হচ্ছে নিজ দেশ ও ভূখণ্ড থেকে।
জাতিসংঘ সহ অন্যান্য মানবাধিকার
সংস্থা গুলোও
রোহিঙ্গা ইস্যুতে অজানা কারনে নীরব। নীরব
সে দেশে শান্তিতে নোবেল
বিজয়ী নেত্রী ‘অং সাং সু চি’,
এভাবে মায়ানমারে মুসলমানদের উপর আর কত
নির্যাতন চলবে
ফেসবুকে পেতে Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৪ রাত ১০:৪১
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×