একদিকে রাষ্টৗয় সন্ত্রাস অন্যদিকে নেতৃত্বে বিভ্রান্তি এবং অগোছালো অবস্থা, আওয়ামী মুসলীম লীগকে জায়গা করে দিয়েছিল মুসলীম লীগ শাসনের প্রতক্রিয়া ধারণ করার । 1953 তে যখন পার্টি কার্যত বিভক্ত হলো (1948 এ আসলে একটা কমিটি হয়েছিল। কিন্তুবেশীরভাগ কমরেড তখন '' সব লাল হো যায়ে গা '' স্বপ্নে আক্রান্ত। 1953 নাগাদ এই স্বাপি্নকেরা বিভিন্ন লাইনে বিভক্ত হন,এক পার্টির মধ্যেই । ) তখন থেকেই আত্মরক্ষার্থে বহু কমরেডকে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে বা ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিতে দেখা যায় । মওলানা ভাষানী কমিউনিস্টদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন , তাই আত্মগোপন করা কিছুটা সহজ হয়েছিল । 1954 তে যুক্তফ্রন্টের হয়ে পার্টির বেশ কিছু গণপরিষদ সদস্যও নির্বচিত হন । কিন্তু স্ট্যালিন-পরবতর্ী সোভিয়েত নেতৃত্ব পৃথিবীর অধিকাংশদেশে বিলোপবাদীদের সমর্থন করেন । এই সময় পার্টিতে তীব্র অনর্্তদন্দ্ব দেখা দিলেও বিলোপবাদীরাই জয়ী হন । অন্যদিকে যুক্তফ্রন্ট সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে তখন পশ্চিমে প্রবল দ্্বিধা চলছে। আবার শুরু হলো কমিউনিস্ট নিধন । অনেক কমরেড চলে গেলেন ভারতে । ভারতে পার্টি তখন হালাল। 1957 র কাগমারী সম্বেলনে অবশেষে মওলানা ভাষানীর নেতৃত্বে কমিউনিস্টরা আওয়ামী লীগ ছাড়লেন । (চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




