আমার ভেতরে কাঁপতে থাকে আমি। রাত পোকারা কিলবিল করে যায় মাথার ভেতর। নিজেকে ধরে রাখার যুদ্ধে পরাজিত হয়ে খেলতে থাকি এক অন্য আমাকে নিয়ে। ক্রমশই ভুলতে থাকি পেছনের বিকেল এবং তারপর যে সন্ধ্যা আসে তাদের সন্ধিক্ষণকে। শরীর বেয়ে হামাগুড়ি দিয়ে যায় এক অজানা ভয়। নিজেকে মনে হয় কত কালের অচেনা কেউ। ঘেন্না হতে থাকে এই অপরিচিত সত্তাকে বেয়ে বেড়াতে। ক্রমাগত দন্দময় হাসির শব্দে আমি কেঁপে উঠি। হিংস্র এই পশুকে প্রতি বার হত্যা করতে গিয়ে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। আমি নিশ্বাস নিতে পারিনা। প্রচন্ড বেগে হাত পা ছুড়তে ছুড়তে জেগে উঠি। টের পাই, মগজের কাছে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে বিগত স্বপ্নেরা। আবারো তাকে ভুলে গিয়ে আমি গল্প লিখে যাই।
সেই মুহুর্তটি এগিয়ে আসছে। গুটিয়ে নিতে থাকি নিজেকে, পৃথিবীর কাছ থেকে। আমার ভয় ছড়িয়ে পড়ছে আমার হাতে, পা'য়, মাথায়। আমার রক্তের ভেতর দৌঁড়াতে থাকে আমি। আমার এবং আমার দন্দের ব্যক্তিগত সময়কে অধীকার করে নেয় আদিমতা। একটু পরেই আমি আর আমি থাকবেনা। আমি বুঝে গেছি জীবনবাবু এবং তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী মানুষদের জীবনের সাথে পাশা খেলার গোপণ সূত্র।
অতৃপ্ত প্রাণের মুল্য দেওয়ার রীতি আসলে পৃথিবীর কৃত্রিম সৃষ্টি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


