somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্লগার শাম্মি আপার কাল্পনিক আলাপ

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে দেখলাম এই জিনিস, এই রকমই হয়তে পারে
ক্রিং ক্রিং ক্রিং
শাম্মী মোবাইলে তাকিয়ে দেখলো, দেশ থেকে মায়ের কল।
হ্যা মা, এত ভোরে কল দিছো ক্যান?
- ভোর কই? ১২টা বাজে।
তোমাদের ১২টা আমাদের ভোর ৭টা। বলো কি বলবে?
- তুই নাকি ১৪ তারিখ আজাইদ্দারে সবার সামনে চুমা খাইবি?
উহঃ মা কতদিন কইছি, এসব কথা ফোনে বলবা না। দাড়াও ভাইবারে কল দিতাছি।
হ্যা এবার বল, কে কইছে তোমারে এইসব? আমরা চুমা খামু না। ঢাকার পোলা মাইয়াগো কইছি খাইতে।
- কস কি এই সব? তর বইনে যাইবো প্রকাশ্যে চুমা খাইতে? ২দিন হইছে জার্মান গেছো এর মধ্যেই মাথা আউলাইয়া গেছে।
মা অয় যাইবো ক্যান? অরে ১৪ তারিখ ঘর থাইকা বাইরাইতে দিবা না। অন্যরা যাইবো। এইটা একটা ইসু। দরকার আছে।
- ক্যান? এতদিন ধর্মের বিরুদ্ধে লেখছো। নিষেধ করলে কইছো ইউরোপ যাইতে লাগবো। ইউরোপ তো গেলি অহন কিসের দরকার?
মা আইছি যত সহজে, এইখানে স্হায়ী ভাবে থাকা তার চেয়ে হাজার কঠিন। আইতে পারি নাই অহনি প্রতি সপ্তায় কয়, হক গুড নিউজ আছে। দেশে ৩ মাস ধরে ব্লগারের উপর কোনো হামলা নাই। তোমার আর বেশি দিন এদেশে কষ্ট করে থাকতে হবে না। :D
:D
- কস কি? অরা কি বলদ? তুই কি ফেরত আসার জন্যে অগো দেশে গেছিস?
সেই জন্যই তো এসব করছি। দেশে আমার বিরুদ্ধে 'ফাসি চাই' টাইপ মিছিল হওয়া লাগবে।
- তর দুলাভাই তো রোজ আসে। তারে নেওনের কি করলি?
মা তারে আমি আগেই কইছি মুসলিম ধর্মের বিরুদ্ধে লিখতে। কিন্তু আমি রোজ তার ফেসবুকে ঢুকে দেখি কিছু নাই। আগে নাইলে বিশ্বাস করে নাই। অহন তো বিশ্বাস করবো না কি?
- হ্যায় ভয় পায়। কয়, 'আমি ধর্মের বিরুদ্ধে লেইখা দোজখে যাইতে পারবো না।' তুই তারে নিয়া যা।
মা গতকালই এক অফিসার ডাইকা কয়, আমরা নাকি নাস্তিক না। জার্মান আসতেই নাকি নাস্তিক সাজছি। তুমি নামাজ পরো কিনা তাও জিগাইছে। এর মধ্যে দুলাভাইরে নিয়া কিছু করতে গেলে ধরা খাবো।
দেশে খুব তারাতারি একজন ব্লগারের উপর হামলা হওয়া দরকার।
- এমরাইন্নারে ক।
কইছিলাম। ইমরান ভাই কয়, তোমরা বার্লিন বইসা তুষারপাত দেখবা আর আমি তোমগো ডকুমেন্ট সাপ্লাই দিবো?'
চিন্তা কইরো মা, চুমাচুমিতে কাজ হইবো।আর না হইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লিখুম। তাইলেই ছাত্রলীগের পোলাপান আমার পুতুল পোড়াইবে।
ঠিক আছে মা ফোন রাখলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভ্যাস বিষয়ে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

অভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?

আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।

আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।

আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×