somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাহাফুজ আনামের পদত্যাগ এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজকে আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বলেছেন, মাহাফুজ আনাম কে পদত্যাগ করতে, কোন সমস্যা নেই। কারণ উনি ভুল করেছেন, তাই ওনার পদত্যাগ চাইতেই পারেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আপনি কিভাবে নিলজ্জ এর মত ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকতে পারেন। দেশে এতো হলমার্ক কেলেঙ্কারি, মেডিক্যালের প্রশ্ন ফাঁস, নারায়ণ গঞ্জের ৭ খুন। রানা প্লাজা এর ধস, দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্ব গতি, দেশের আইনের শাসনের কোন বালাই নাই, পুলিশ আর রযাব দিয়ে গুম খুন।

তাও আপনি নিলজ্জের মত ক্ষমতা ধরে রাখতে চান। আগে মাহাফুজ আনামের পদত্যাগের আগে নিজের কথা চিন্তা করুন

খবরের লিঙ্ক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সোমবার রাজধানীতে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে দুটি দৈনিক পত্রিকা ও দুজন সম্পাদকদের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, ‘গোটা ২০টা বছর আমার রাজনীতির জীবনে এই পত্রিকাগুলো শুধু আমার বিরুদ্ধে কুৎসাই রটনা করে গেছে, আমার বিরুদ্ধে লিখে গেছে। আওয়ামী লীগ যেন তাদের শত্রু।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত মাতৃভাষা দিবসের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বক্তৃতার এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘২০০১ সালে আমরা আর ক্ষমতায় আসতে পারলাম না। আমাদের সমস্ত অর্জন একে একে নস্যাৎ করা হলো। সে-ই ২০০১-এর অত্যাচার-নির্যাতনের কাহিনি, যেখানে ছয় বছরের রাজুফা গ্যাংর‍্যাপের স্বীকার হয়েছিল। রাজুফা থেকে বয়োবৃদ্ধ—কেউই রেহাই পায়নি। একাত্তরে যেভাবে গণহত্যা চালানো হয়েছিল, ওই সময় একইভাবে সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চলেছে। তখন দু-একটি পত্রিকা হয়তো এ ঘটনা তুলে ধরেছে। অনেক পত্রিকাই বিএনপি-জামায়াতের ওই সব অত্যাচারের কথা লেখেনি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার যাদের নির্বাচন দেওয়ার কথা, তারা বেশ গেড়েই বসে গেল। তখন আমরা কী দেখলাম? রাজত্ব চালাচ্ছে কে? তত্ত্বাবধায়ক সরকার আছে। ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিন, এরা যাদের আপনজন, সেটা বিএনপিরই আপনজন। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে চাকরি করত ফখরুদ্দীন, খালেদা জিয়া তাঁকে এনে গভর্নর বানাল। নয়জন সেনা অফিসারকে ডিঙিয়ে মঈন উদ্দিনকে সেনাপ্রধান বানায়। যখন তারা ক্ষমতায় বসল, ততক্ষণে তাদের ভিন্ন রূপ দেখা দিল। ক্ষমতা কীভাবে পাকাপোক্ত করা যায়। আর এই ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য দুটি পত্রিকা আবার ওঠে পড়ে লেগে গেল তাদের সাথে। এবং এই পত্রিকায়, আপনারা ইতিমধ্যে দেখেছেন, একজন সম্পাদক স্বীকার করেছেন, তিনি যা লিখতেন...ডিজিএফআই যা দিত, তা-ই লিখে দিতেন। ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিনের সরকারের আমলে ডিজিএফআই খুব শক্তিশালী হয়ে গিয়েছিল।’

ডেইলি স্টারের সম্পাদকের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদি বুকের পাটা থাকে, সাহস থাকে জাতির কাছে স্বীকার করেন, ভয়ে লিখেছেন। তাহলে আর নির্ভীক সাংবাদিকতা থাকে না। আর যদি তাদের কাছে বিক্রি হয়ে থাকেন বা তাদের সাথে সখ্যতা থাকে সেখানে আমার কিছু বলার নেই। আর যদি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকেন, তাহলে ষড়যন্ত্রকারীদের—যারা এ দেশের গণতন্ত্র হত্যা করে ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা করেছিল, এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল, এ দেশের মানুষকে এভাবে নির্যাতনের শিকার করেছিল---যুদ্ধাপরাধীদের যেমন বিচার হচ্ছে ঠিক সেভাবেই একদিন এদের এই সংবিধান ধ্বংস করার বিচার হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সম্পাদক সাহেব ডিজিএফআইয়ের লেখা ছাপিয়ে ভুল করেছেন বললেন কিন্তু সেই ভুলের খেসারত বাংলাদেশের মানুষ দিল, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা দিল, এ দেশের ব্যবসায়ী মহল দিল, ছাত্র সমাজ দিল, সকলেই দিল। আর যেহেতু আমার বিরুদ্ধে লিখেছে সে জন্য আমি ও আমার পরিবার তো দিয়েছি। কই তিনি ভুল স্বীকার করে পদত্যাগ করার সাহস তো দেখাতে পারলেন না। এতটুক আত্মমর্যাদা থাকলে তো নিশ্চয় তিনি এরপর পদত্যাগ করতেন।’ তিনি বলেন, ‘ডেইলি স্টারের মতো একটি পত্রিকা, ডিজিএফআইয়ের একজন অফিসার যা লিখে দেবে তা ছাপাবে এটা কোন পাগল বিশ্বাস করে? কারণ, ডেইলি স্টার তার ভাষা সম্পর্কে খুবই সচেতন।’
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৪৭
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অভ্যাস বিষয়ে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১২

অভ্যাস আসলে কীভাবে তৈরি হয়?

আমরা অনেক সময় ভাবি, কোনো একটা অভ্যাস তৈরি করতে হলে অনেক বেশি Willpower দরকার।

আসলে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম।

আপনি যদি প্রতিদিন এক ঘণ্টা বই পড়ার সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবন.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৭


১।মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে জুম্মার নামাজ পড়ার সুযোগ হয়েছে। ১২.৫০ এ আজান তারপর ১.১৫ দিকে জুম্মার নামাজের সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ। আজানের কিছুক্ষণ পর খুতবা শুরু তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×