ট্র্যাফিক জ্যামে আটকে আছি...পাশের গাড়িতে দেখলাম এক বৃদ্ধ ভদ্রলোক প্রথম আলোর নকশা পড়েছেন...আরো চমৎকৃত হলাম তিনি খুব মনােযাগ দিয়ে নকশার রেসিপি অংশটুকু পড়ছেন...আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি উনি জীবনে কতোবার হেঁসেল ঘরমুখো হয়েছেন তা তিনি অনায়াসে গুনে বলে দিতে পারবেন...আর ভদ্রলােকের যে বয়েস তাতে আজকের নকশায় দেয়া সবগুলাে খাবারের ব্যাপারে তার চিকিৎসকের বারণ রয়েছে...
তবুও তিনি পড়ছেন...বয়েস হলে অধিকাংশ খাবারের ওপরই নানা বিধিনিষেধ বেঁধে দেন ডাক্তাররা...তখন ওই খাবারগুলো আরো বেশি খেতে ইচ্ছে করে...এই ভদ্রলােকের ক্ষেত্রেও হয়তো তাই...এ কারনেই তিনি দুধের স্বাদ ঘােলে মেটাচ্ছেন...খাওয়ার বারণ খাবারগুলোর প্রস্তুত প্রণালী পড়ে মনের সুখ পাচ্ছেন...
এসব ভাবতে ভাবতেই ছোট্ট করে নিশ্বাস ফেললাম...আয়ু থাকলে আমিও ওই বয়েসে পৌঁছাবো...একই কীর্তি হয়তো আমিও করবো...সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতেই অফিসে ঢুকলাম...কৌতুহলের বশেই হাতে তুলে নিলাম আজকের নকশা...তবে রেসিপের পাতায় পৌঁছানোর আগেই আটকে গেলাম অন্য পাতাগুলােতে...
নারীদের বৈশাখী সাজগোজ নিয়ে দারুন দারুন সব মডেলদের ছবি ছেপেছে...ছবিগুলাে দেখলেই চােখে এক ধরণের আরাম হয়...মনে একটা শিরশিরে অনুভূতিও খেলা করে...প্রাণ ভরে ছবিগুলো দেখতে থাকলাম...আর মনে মনে ভাবলাম রেসিপি পড়ার বয়েসে যেতে এখনো ঢের বাকি...ততোদিন না হয় এদেরই দেখা যাক...যে বয়েসে যে চাহিদা আর যার জন্য আফসোস...:-)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






