somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

উড়বে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগামী বিমান

১৬ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ক ঘণ্টারও কম সময়ে নিউইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছার স্বপ্ন এখন পূরণ হওয়ার পথ মাত্র এক ধাপ পেছনে, এমনটিই দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান উড্ডয়ন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী বিজ্ঞানীরা মঙ্গলবার এমন একটি দ্রুতগতির হাইপারসনিক জেট বিমানের উড্ডয়ন ক্ষমতা পরীক্ষা করতে যাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ও পূর্ব উপকূলের মধ্যে উড্ডয়ন সময়সীমাকে এক ঘণ্টারও নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম।

মঙ্গলবার প্রশান্ত মহাসাগরে একটি বি-৫২ যুদ্ধ বিমানের পাখনায় ভর করে ‘এক্স-৫১ এ’ ওয়েভ রাইডার নামে অভিহিত বিমানটি পরীক্ষামূলকভাবে আকাশে উড়বে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম।

ধারণা করা হচ্ছে ম্যাক-৬ গতিবেগ বিশিষ্ট ওয়েভ রাইডার উড্ডয়নের সময় সাগরে ভেঙে পড়ার আগেই ঘণ্টায় ৩ হাজার ৬শ’ মাইল গতিবেগে প্রায় ৩০০ সেকেন্ড আকাশে ভেসে থাকতে সক্ষম হবে।

পরীক্ষা সফল হলে এটি হবে বিশ্বের ইতিহাসে পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে যে কোনো বিমানের প্রাপ্ত সর্বোচ্চ গতিবেগ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বিবরণ অনুযায়, ওয়েভ রাইডার কর্মসূচির সফলতা যাত্রীবাহী বিমান নির্মাণের এমন একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে, যার সুবাদে ভবিষ্যতে বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রের এক উপকূল থেকে আরেক উপকূলে পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ৪৬ মিনিট।

বিমানটির নিমার্তা প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়োতে অবস্থিত ‘এয়ার ফোর্স রিসার্চ ল্যাবেরটরির বিজ্ঞানী রবার্ট এ মারসিয়ার বলে, ‘বিমানটির এ গতিবেগ অর্জন ধীরে ধীরে দূরপাল্লার ভ্রমণকে বর্তমানের প্রপেলার চালিত বিমান থেকে হাইপারসনিক জেট প্রযুক্তির দিকে ধাবিত করবে।’

এছাড়া পরবর্তী সময়ে এ প্রযুক্তি ক্ষেপণাস্ত্র, মহাকাশ যান এবং যুদ্ধবিমান নির্মাণের ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে বলে সে উল্লেখ করে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ওয়েভ রাইডার কর্মসূচির একটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ব্যর্থ হয়ে যায় গত বছরের জুন মাসে। এদিকে পরীক্ষার আগে এক
বিবৃতিতে পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা গত এক দশকে এ ধরণের উচ্চগতির আকাশ যান নির্মাণে প্রায় দুইশ’ কোটি ডলার খরচ করেছে। ওয়েভ রাইডার কর্মসূচির জন্য তাদের খরচ হয় প্রায় ১৪ কোটি ডলার।

এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ গতির যাত্রীবাহী বিমান হলো কনকর্ড। ২০০৩ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত এটি ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৩৫০ মাইল গতিতে আটলান্টিক পাড়ি দিতে সক্ষম ছিলো। মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টায় এটি আটলান্টিক পাড়ি দিতো। অথচ বর্তমানের প্রচলিত বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানগুলো এর দ্বিগুণেরও বেশি সময় নিয়ে থাকে।

এক ঘণ্টারও কম সময়ে নিউইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছার স্বপ্ন এখন পূরণ হওয়ার পথ মাত্র এক ধাপ পেছনে, এমনটিই দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান উড্ডয়ন বিশেষজ্ঞরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী বিজ্ঞানীরা মঙ্গলবার এমন একটি দ্রুতগতির হাইপারসনিক জেট বিমানের উড্ডয়ন ক্ষমতা পরীক্ষা করতে যাচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম ও পূর্ব উপকূলের মধ্যে উড্ডয়ন সময়সীমাকে এক ঘণ্টারও নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম।

মঙ্গলবার প্রশান্ত মহাসাগরে একটি বি-৫২ যুদ্ধ বিমানের পাখনায় ভর করে ‘এক্স-৫১ এ’ ওয়েভ রাইডার নামে অভিহিত বিমানটি পরীক্ষামূলকভাবে আকাশে উড়বে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম।

ধারণা করা হচ্ছে ম্যাক-৬ গতিবেগ বিশিষ্ট ওয়েভ রাইডার উড্ডয়নের সময় সাগরে ভেঙে পড়ার আগেই ঘণ্টায় ৩ হাজার ৬শ’ মাইল গতিবেগে প্রায় ৩০০ সেকেন্ড আকাশে ভেসে থাকতে সক্ষম হবে। পরীক্ষা সফল হলে এটি হবে বিশ্বের ইতিহাসে পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে যে কোনো বিমানের প্রাপ্ত সর্বোচ্চ গতিবেগ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বিবরণ অনুযায়, ওয়েভ রাইডার কর্মসূচির সফলতা যাত্রীবাহী বিমান নির্মাণের এমন একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে, যার সুবাদে ভবিষ্যতে বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রের এক উপকূল থেকে আরেক উপকূলে পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ৪৬ মিনিট।
বিমানটির নিমার্তা প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়োতে অবস্থিত ‘এয়ার ফোর্স রিসার্চ ল্যাবেরটরির বিজ্ঞানী রবার্ট এ মারসিয়ার বলে, ‘বিমানটির এ গতিবেগ অর্জন ধীরে ধীরে দূরপাল্লার ভ্রমণকে বর্তমানের প্রপেলার চালিত বিমান থেকে হাইপারসনিক জেট প্রযুক্তির দিকে ধাবিত করবে।’

এছাড়া পরবর্তী সময়ে এ প্রযুক্তি ক্ষেপণাস্ত্র, মহাকাশ যান এবং যুদ্ধবিমান নির্মাণের ক্ষেত্রেও সহায়ক হবে বলে সে উল্লেখ করে।
উল্লেখ্য, এর আগেও ওয়েভ রাইডার কর্মসূচির একটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন ব্যর্থ হয়ে যায় গত বছরের জুন মাসে। এদিকে পরীক্ষার আগে এক বিবৃতিতে পেন্টাগন জানিয়েছে, তারা গত এক দশকে এ ধরণের উচ্চগতির আকাশ যান নির্মাণে প্রায় দুইশ’ কোটি ডলার খরচ করেছে। ওয়েভ রাইডার কর্মসূচির জন্য তাদের খরচ হয় প্রায় ১৪ কোটি ডলার।

এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ গতির যাত্রীবাহী বিমান হলো কনকর্ড। ২০০৩ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে পর্যন্ত এটি ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ৩৫০ মাইল গতিতে আটলান্টিক পাড়ি দিতে সক্ষম ছিলো। মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টায় এটি আটলান্টিক পাড়ি দিতো। অথচ বর্তমানের প্রচলিত বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী বিমানগুলো এর দ্বিগুণেরও বেশি সময় নিয়ে থাকে।
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড় চূড়ায়

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫০

পাহাড় চূড়ায়
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

সে এখন পাহাড় চূড়ায়
স্বপ্ন ছোঁয়া বিজয়ী!
চোখে দেখা প্রথম উল্লসিত
একটি পণ্য বিক্রয় করে হাজার টাকা-
লাভ করে কী যে খুশি!
কিন্তু এখন তার মাসে আয় কোটি
তবুও সে হয় না তৃপ্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরান ওয়ার্ল্ড কাপ বয়কট করে নাই কারণ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৩


সেখানে একজন আসিফ নজরুল ছিলেন না, আমিনুল ইসলাম বুলবুল ছিলেন না! পুরো বিশ্বজুড়ে এখন ফুটবলের উন্মাদনা। যে সব দেশ মাঠে লড়ছে আর যারা কোয়ালিফাই করতে পারেনি উত্তেজনা সবখানেই সমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৩

গঙ্গা-বুড়িগঙ্গার স্রোত অনেক বদলে গেছে...

একসময় ভারতীয় কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ কিংবা বাংলাদেশের কিছু ক্ষমতাসীন নেতা এমন ভাষায় কথা বলতেন, যেন বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়; বরং কোনো ছোট ভাই, আদরের বোন বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অন্তর্দিগন্ত

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৯



যে নদী সাগরকে ছোঁয়নি, সে-ই গায় সবচেয়ে নির্মল সঙ্গীত।
যে বৃক্ষের শাখা ফলের ভারে নত হয়নি, সে-ই আকাশকে বেশি বোঝে, বাতাসকে বেশি শোনে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম ভ্রমগুলোর একটি এই,
মানুষ ভেবেছে প্রাপ্তিই পরিত্রাণ।

তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Laptop Stand কেন দরকার?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৯

Laptop Stand কেন দরকার? | Digital Fast IT থেকে স্মার্ট সমাধান



দীর্ঘ সময় ল্যাপটপ ব্যবহার করলে অনেকেরই একটি সাধারণ সমস্যা দেখা দেয়—ল্যাপটপের নিচের অংশ অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়। অতিরিক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×