
মেঘবতী, কম্পিত আরক্তিম ঠোঁটে মৃদু সম্ভাষণ জানিয়ে তুমি যখন বিদায় নিয়েছিলে
একটি ভারাক্রান্ত শহর তখন অঝরে কেঁদেছিল; আর আমি? অবলীলায় যন্ত্রনার ছাদের ওপর চড়াট করেছি
এলোমেলো হয়ে মধুর চেয়ে মিষ্টি কিছু শব্দ লিখে চুমু খেয়েছি-
অদূরের চিঠির অক্ষরের মতো অস্পষ্ট গ্রামগুলো স্মৃতির হিমালয় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে
সময়ের পৃষ্ঠা দখল করা বেআব্রু স্মৃতি ক্লান্তির বিছানা থেকে বিদায় নেয়
একটি ঘনয়মান সন্ধ্যার শরীর ছুঁয়ে বিমূর্ত কিছু দীর্ঘশ্বাস তোমার শরীরের গন্ধ এঁকে চলে তখনো
মুখোশপরা সময় আমার পরিচিত দুঃখদের দেখে না
মেঘবতী, তুমি তো কখনো জানলে না-দূরাগত বাতাস থেকে কীভাবে ছোট্ট শহর গর্ভধারণ করে
কীভাবে হাতের তালুর নিচে পৃথিবী রচিত হয়- তুমি তো কখনো রাত্রির কান্না শোননি-
নাই বা শোনলে-
চেতনার ফসলি জমিনে তুমি আমার কুমারি বাগান- কচি ধানের মতোই বিশ্বস্ত
তবুও তোমার চোখের দিকে তাকালে কেন দেখতে পাই ভিন পুরুষের ছায়া?
বিশ্বায়নের জ্যামেতিক অঙ্ক কষেও ভালোবাসার ফসলি ভূমিতে আমি এখনো বিশ্বস্ত কৃষক।
--------------
০৩.০৪.২০১৫
মুনশি আলিম
টিলাগড়, সিলেট
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৪:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




