somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুনশি বচন :: পর্ব : ৫

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



ছবি কৃতজ্ঞতা : গুগল

 বই ধার করে পড়া পাঠক, প্রকৃত পাঠক নয়।

 খ্যাতিমানদের সাথে ছবি তুলে যারা নিজেকে প্রচার করতে চায় বুঝতে হবে তারা ব্যক্তিত্ব সংকটে ভুগছে!

 তেলবাজরা সর্বত্রই সুবিধা পায়, তবে তা সাময়িক।

 বাধ্য না হলে বাঙালি আইনের ধার ধারে না!

 বিদেশে বসবাসকারীরা দেশে এলেও সাধারণ লোকজন তাদের ‘বিদেশি’ বলেই সম্বোধন করে!

 সিলেটি কুট্টিদের কমন বাক্য-“সামওয়ালাইকুম! দোয়া খরবা!”

 নিঃস্বার্থভাবে মানুষ অপরের প্রশংসা করে না, চাপ, লাভ এবং লোভে করে!

 শিক্ষার্থীদের প্রতিষ্ঠানিক শিক্ষার মুখ্য উদ্দেশ্য ভালো সার্টিফিকেট অর্জন, জ্ঞানার্জন নয়!

 ব্যস্ততা নিঃসন্দেহে অপূর্ণতার রোদনকে ভুলিয়ে রাখে।

 কাজ করলে কাজ বাড়তেই থাকে, আর না করলে একসময় খুঁজেও পাওয়া যায় না!

 দুর্বলেরা একজোট হলে সবলদেরও পালানোর পথ খুঁজতে হয়!

 পশুত্ব এমনই এক ব্যাপার যে, হাজার বছরের সভ্যতাও মানুষের এই প্রবৃত্তিকে মুছে দিতে পারে না।

 প্রেমিকাদের শরীর পাওয়ার পরই প্রেমিকদের আগ্রহ কমতে থাকে।

 কবিদের কাছে নারী হলো অক্সিজেনের মতো! উপস্থিতির সুঘ্রাণ পেলেই তাদের ভাবের গভীরতা বেড়ে যায়।

 কুসংস্কারের মধ্যেই মানুষ বেড়ে ওঠে। ব্যাপারটি এমনই স্বাভাবিক যে-জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও মানুষ সংস্কার আর কুসংস্কারের পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে না!

 পুরুষের সব শাসনই সমাজের চোখে দৃশ্যমান, নারীর শাসন অদৃশ্য!

 পুরুষ দাবি আদায়ের জন্য কখনোই কাঁদে না।

 নিজেরা হরেক রকমের ছুটি ভোগ করলেও কাজের বুয়াদের ব্যাপারে আমরা কঠিন থেকে কঠিনতর।

 শিক্ষা ব্যবসা হলো বর্তমানের সবচেয়ে ভদ্র এবং মার্জিত ব্যবসা!

 মানুষ জন্মগতভাবেই হিংসাপরায়ণ। কঠোর সাধনার মাধ্যমেই এ থেকে পরিত্রাণ সম্ভব।

 বাংলাদেশে জেল-হাজত না খাটলে বড়ো নেতা হওয়া যায় না।

 ধর্মীয় উপাসনা না করার জন্য মানুষ কখনোই বৃহৎ সমালোচনার শিকার হয় না, কিন্তু ধর্মের সমালোচনা করামাত্রই সব বিশ্বাসীদের চক্ষুশূল হয়ে পড়ে। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার লাইসেন্স পর্যন্তও হারিয়ে ফেলে!

 ধার করার কথা মনে থাকলেও যথাসময়ে যারা ফেরত দেওয়ার কথা ভুলে যায়, বুঝতে হবে তাদের মনুষ্যত্বে ঘাটতি রয়েছে।

 গুরু-অন্ধ শিষ্যরা গুরুর সব শ্রাব্য-অশ্রাব্য কথাকেই পরম মহৌষধ মনে করে!

 প্রেম কিংবা বিয়ের ক্ষেত্রে মোটা তরুণীরা বরাবরই পছন্দের তালিকার শেষে থাকে।

মুনশি আলিম
জাফলং, সিলেট
[email protected],
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:০০
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×