somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

" আনকাট পুচকিবেলা"

০৯ ই জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাল থেকে আবার ক্লাস শুরু।আজ ঘুম থেকে উঠেই যে চিন্ত তা আসল তা হল,"শরীরে অবস্থানরত তৈল খুব শিগগিরি কাইট্টা যাবে ।"
ব্যপার হল টানা সাত দিন ছুটি কাটিয়ে শরীরের আনাচে, কানাচে গলি ঘুপচিতে আলসেমি সিভিয়ারলি বেড়ে গেছে।যাইহোক সকাল থেকে মুখ কড়াই ( :P ) এর মত করে রেখে স্মৃতিচারন করতে বসলাম । ব্যপারটা অনেকটা মেডিটেশনের মত কাজ করল।মন খুব ভাল হয়ে গেল কিছুক্ষনেই।

অনেকের চেয়ে আমার ছোটবেলা অনেক বিচিত্র।আর যারা ঢাকায় বড় হয়েছে তাদের কল্পনার ই অতীত।ক্লাশ ওয়ান থেকে ক্লাশ টেন পর্যন্ত সময় টা এত বেশি রকমের ভাল কেটেছে যে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি।আজ অনেক কথা মনে পড়েছে,তার মধ্যে কয়েকটা কথা শেয়ার করতে ভয়ানক ইচ্ছা করছে।

ক্লাস ওয়ান থেকে থ্রি পর্যন্ত কেটেছে একটা সরকারি ফার্ম এ।আব্বু ওই ফার্ম এর প্রধান ছিল।এই সময় টা ছিল আমার জীবনে শ্রেষ্ঠ সময়। সম্ভবত তখন ওয়ান এ পড়ি।একদিন আম্মু দুইটা মুরগির বাচ্চা কিনে আনল আমার জন্য।বাচ্চা মুরগির ঝোল অতি উপাদেয় খাদ্য,আম্মু আমাকে খাওয়ায়ে মোটাতাজা করবে।কিন্তু মোটাতাজা হওয়ার কোন ইচ্ছা না থাকায় আম্মুর আচল ধরে ঝুলে পড়লাম,"আম্মু আমি মুরগি পালব।" আম্মু আমার কথা শুনে তব্দা গেল। আম্মু যতই বলে দিব না,আমি আরো বেশি আবদার করতে লাগলাম। বলাবাহুল্য,আম্মু বাধ্য হল আমাকে মুরগি পুষতে দিতে।
যাইহোক,আমার খামারি জীবন শুরু হল। ফার্ম এ অনেক কেয়ারটেকার ,পিয়ন ছিলেন।আর তারা আদর ও করত ভীষণ আমাকে।এদেরই একজন(নাম টা মনে নাই, /:) ) আমাকে মুরগি পালা শিখাইলেন। আমার কাজ ছিল মুরগি দুইটা কে আচ্ছা মতন খাওয়ানো। দারুন পোষ মেনেছিল ওরা। একটা বালতি ছিল,আমি লাঠি দিয়ে বালতিতে শব্দ করলেই ওরা বুঝে যেত এখন "লাঞ্চ টাইম" ।
এখন ও মনে আছে মুরগি দুইটা সাদা রঙ এর।আর ফার্ম এর সবাই জানত ওই দুটা আমার মুরগি।তাই কেঊ ধরার চেষ্টা করত না। একদিন দুপুরের কাহিনী।
আমি যথারীতি বালতি নিয়ে শব্দ করছি।দেখলাম একটা আসছে ,আরেকটা আসেনি।ওই সময় বেজির উপদ্রব ছিল অনেক ।প্রায়ই মুরগি মিসিং হত,তাই বুঝতে বাকী থাকল না যে মুরগি কে নিয়েছে। সেদিন কি পরিমান কেদেছিলাম জানি না,তবে চোখ দুদিন লাল ছিল।

এরপর আম্মু বলল,তোমার মুরগি পোষা বন্ধ এবং যেটা আছে সেটাকে রান্না করা হবে কারন তা না হলে বেজিই খেয়ে ফেলবে।আমি জেদ ধরে বসে থাকলাম, "জান যাবে তবে মুরগি যাবে না পেটে"!!
কিন্তু লাভ হল না।আম্মু আমাকে কনভিন্স করে ফেলল।সেদিন ই মুরগি তা রান্না করা হল।আমি দুই টা রান ই খেলাম......

এখন এই ব্যপার টা খুব নৃশংস লাগে ভাবতে যে,আমিই বড় করলাম আবার আমিই খেয়ে ফেললাম।আসলে ছোট বাচ্চাদের মন মানসিকতা খুব ইজিলি ম্যানিপুলেট করা যায়।আমার এখনো রাগ হয় মাঝে মাঝে।কি দরকার ছিল আম্মুর এমন করার।আমাকে ডিমোরালাইজ করার।।

যাইহোক,কোরবানীর ঈদ এসে গেল এরই মধ্যে। আব্বুর খায়েশ হল ছাগল কুরবানী দেওয়া হবে।
আম্মু কিছুতেই দিতে দিবে না,কারন ছাগলের দেখভাল ঝামেলার কাজ।আর চুরি হোয়ার ভয় ও বেশি।আব্বু ঠান্ডা মাথায় আম্মুর কথায় তাল দিয়ে হু হা করে গেল ।তবে যথারীতি পরেরদিন ই তিন তা ছাগল কিনে বাসায় হাজির।আম্মু রুদ্রমূর্তি ধারন করল,আর আমার চোখ আসন্ন অ্যাডভেঞ্চারে চকচক করে উঠল। আম্মু আমাকে কড়াভাবে বলে দিল,"ছাগলে আসেপাশে গেলে মেরে তক্তা করে দিব"
কিন্তু কে শোনে কার কথা,আমি প্রতিদিন স্কুল এর পরে ছাগল চরাতে লাগলাম। ফার্ম ছিল বিশাল,হাটতে থাকলে পথ হারানোর ভয় ছিল আর ছিল লম্বা ঘাসের মধ্যে লম্বা লম্বা জোঁক !
একদিনে কথা,আমি যথারীতি আম্মুর অবাধ্য হয়ে রাখালছেলের দায়িত্ব পালন করছি।পথা ঘাট সব চিনি তাই হারানোর ভয় ছিল না,কিন্তু ছাগলবৃন্দ কে খাওয়াতে খাওয়াতে কখন সন্ধ্যা হইসে ভুলেই গেছি।এবং যখন খেয়াল হল,তখন পাইলাম আসল ভয়।যাকে বলে একদম প্যানিকড হয়ে গেলাম।এবং যথারীতি পথা হারালাম।আনুমানিক আট টার সময় আমাকে খুঁজে পাওয়া গেল।কান্না করতে করতে বাসায় গেলাম। আম্মু প্রায় আমাকে ন্যাংটুপুটু করে দিল।এবং যা দেখলাম তাতে আমার অবস্থা লুজ হয়ে গেল।সারা পায়ে ,ইভেন গায়ে,পিঠ পর্যন্ত জোঁক মহাশয় জেকে বসে রক্ত খাচ্ছেন।আম্মু সাথে সাথে সারা গায়ে লবন লাগালো।জোক সাফ করে আমাকে স্যাভলন পানিতে গোছল করান হল।
এবং রাত্রে বেলা এল জ্বর!!
এরপর আমি হলাম বাসাবন্দি।তবে বানরের বাদরামি বন্ধ আর কুত্তার লেজ সোজা করা অসম্ভব ব্যপার হওয়ায় আমার শয়তানি বন্ধ হল না,বরঞ আরো বাড়ল,আগে বাইরে টো টো করে বেড়াতাম এখন বাসায় নরক গুলজার করতেসিলাম।আমি ওই সময় এক টা অসাধারন খেলা আবিষ্কার করলাম।তা হল জানালার গ্রিল বেয়ে আলমারির মাথায় ওঠা এবং তারপর লাফ দিয়ে বিছানায় পড়া। আম্মু পড়ল মহাবিপদে,তার ধারনা হইল আমার ঘাড়ে কোন ফাজিল জ্বীন ভর করেছে।সুতরাং আমার চিকিৎসা প্রয়োজন।এবং এরই নিমিত্তে আম্মু নলতা শরীফ থেকে মাদুলি এনে আমার হাতে জোরসে বেধে দিলেন। আমি পরলাম মহা মুসিবতে। একে তো টাইট,আমি পারিনা খুলতে তার উপরে গোসলের সময় ভিজে গেলে সুতা বাধা অংশ দারুন চুলকায়।কি করি করি চিন্তা করতে করতে কখন যেও মাদুলি চাবানো শুরু করছি জানিনা তবে ঘন্টা খানেক পর দেখলাম আমার কাজ শেষ মাদুলির মোম সব চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছি আর টিন চিড়ে চ্যাপ্টা হয়ে গেছে। হাসি হাসি মুখ করে আম্মুর কাছে গিয়ে মাদুলি দেখালাম।আম্মুকে দেখে মনে হল দুঃস্বপ্ন দেখতেসে। মুখ গোমড়া করে আম্মু মাদুলি খুলে দিল,আমি পেলাম চুলকানি থেকে মুক্তি!!

এর কিছুদিন পর আব্বু অফিসের কাজে থাইল্যান্ড চলে গেল।আব্বু আমার বাদরামির একমাত্র সাপোরটার ছিল।আব্বু না থাকায় বাদরামি কমে গেল।আম্মু মনে করল ছেলের ঘাড় থেকে ফাজিল জ্বীন নেমে গেছে,কিন্তু দুঃখজনক ব্যপার হল আম্মু ভুল ছিল।আব্বু তিনমাস পর বাসায় আসল।সাথে আসল দুই সুটকেস খেলনা আর এক সুটকেস চকলেট।আমারে আর পায় কে!!
খেলনার মধ্যে একটা পিস্তল ছিল।পুথির মত গুলি ভরে মারা যেত।এবং এমন একটি মারনাস্ত্রের জন্যই বোধহয় অপেক্ষা করছিল আমার ঘাড়ের ফাজিল জ্বীন।আমি পিস্তল হাতে সারা ফার্ম এর পোলাপাইন কে গুলি করতে লাগলাম এবং বাসায়নালিশ আসতে লাগল।আম্মুর ওইসময়
মাইগ্রেন এর সমস্যা ছিল।একদিন মাইগ্রেন এর ব্যথা উঠছে আর আমি গুলি করে বেড়াচ্ছি ঘর দিয়ে।আম্মু ওয়ারনিং দিসে কয়েকবার কিন্তু আমি আবার কথা শোনার পাবলিক ছিলাম না।আর যাবা কোথায় আম্মু অতিষ্ট হয়ে পিস্তল দিয়ে এমন মাইরটা দিল পিস্তল ভেঙ্গে দু টুকরা হয়ে গেল আর পিঠ দিয়ে রক্ত বের হতে লাগল।আম্মু বুঝেই নাই এমন হবে।এরপর আমি আর কি কাদব,আম্মুর কান্না দেখেই বেকুব হয়ে গেলাম।বুঝলাম আম্মু বড্ড বেশি ভালবাসে আমাকে!!

তখন বাসায় কাজের লোক ছিল পাচ ছয় জন।এদের মধ্যে আম্মুর প্রিয় কাজের লোক ছিল তাসুরা আপা।তাসুরা আপা আমাকে অত্যন্ত যত্ন করতেন।তার ছেলের সুন্নতে খৎনা দেওয়া হয়েছে।সেই উপলক্ষে তার বাড়িতে দাওয়াত।প্রধান অতিথি আব্বু এবং বিশেষ অতিথি আমি আর আম্মু দুধ ভাত!! (:D ) খাবারের মেনু মোটা চালের পোলাও,মুরগির ঝোল আর দই।অসাধারন রান্না তাসুরা আপার।খাওয়া শেষে আপা বললেন মিস্টি খাবা? আমি বললাম খাব।আব্বু দেখি মিটমিট করে হাসতেসে।আমি তো কাহিনি বুঝতেসি না।একটু পর মিস্টি রূপে যা এল তা হল আস্ত গুড়।আসলে ব্যপার হল ওই এলাকার মানুষ মিস্টি বলতে গুড় বোঝাত,যেটা আব্বু জানলেও আমি জানতাম নাহ!!

ক্লাশ থ্রি তে পড়ার সময় ফার্ম ছেড়ে শহরে চলে আসলাম।যেদিন ফার্ম ছেড়ে আসি সেদিনের কষ্ট টা কি ভয়ানক ছিল তা লিখে বা বলে বোঝান সম্ভব না।

ক্লাস সিক্স এর কাহিনী।
আমি তখন জিলা স্কুল এ পড়ি।এসময় ই আমার সুন্নতে খৎনা সম্পন্ন হয় এবং ২২ দিন স্কুলে যেতে পারিনি।তো বাইশ দিন পরে স্কুল এ গেছি।হেড স্যার ছিলেন আনসারি স্যার।আমাকে ক্লাসে দাড় করায়ে বললেন,"বালক এতদিন কই ছিলা?"
আমি পড়লাম মহা মুসিবতে।হঠাত এক ফিচলে বন্ধু ঘোষনা করল,"স্যার অনীকের ত মুসলমানি হয়েছে,তাই আসেনি" । আমার কিছুক্ষনের জন্য মনে হল আমি বাতাসে দ্রবীভুত হয়ে গেছি।লজ্জায় মাথা তুলতে পারছি না,এসময় স্যার বললেন "আরে মিয়া লজ্জার কি আছে,আমরা তো সবাই কাটা লোক"
স্যারের কথাশুনে পুরা ক্লাশ হাসিতে ফেতে পড়ল আর আমি হাফ ছেড়ে বাচলাম।

আজ আরেকটা ঘটনা মনে পড়ছিল,তখন ৭ বা ৮ এ পড়ি।এটা মনে পড়লে এখনো লজ্জা পায়।তখন আমার কলম কেনার নেশায় পেয়েছে।জীবনের লক্ষ্য আর উদ্দেশ্য যেন ছিল কলম কেনা।তো সবসময় টাকা থাকত না,তাই মাঝে মাঝে আব্বুর পকেট কাটতে হত।একদিনের ঘটনা।আমি আব্বুর সাথে বাইকে বাসায় ফিরছি,হঠাত আব্বু বলে ঊঠল,"অনীক তুমি আমার পকেট থেকে টাকা চুরি করেছ?" আব্বুর কথা শুনে আমার রক্ত গেল পানি হয়ে, আস্তে করে একশ টাকার নোট টা ফেলে দিয়ে গোবেচারা মুখে বললাম "কই,না তো'
দুর্ভাগ্য কারে কয়,একটা আপু দেখে ফেলেছিল আমার পকেট থেকে টাকা পরতে।তিনি মনে করেছিলেন আমার পকেট থেকে এমনি ই পড়ে গেছে।তিনি আমাদের বাসার সামনে বাইক থামতে দেখে আমার হাতে টাকা দিয়ে বল্লেন,"ভাইয়া তোমার পকেট থেকে বোধহয় টাকাটা পড়ে গেছে"
আমি যাকে বলে একেবারে ভেটকি মেরে গেলাম।আব্বু যা বোঝার বুঝে গেল।বলাবাহুল্য,এরপর আমাকে আচ্ছা মতন বানানো হল উইথ বেত এবং খাটের স্ট্যান্ড!!
উফফ সে কি নিদারুন মাইর!!
আপু আপনি কি জানেন আমি আজ ও আপনার চৌদ্দ গুষ্টি উদ্ধার করে চলেছি??

ক্লাস এইটে ওঠার পর আব্বু ঘোষনা করল,আমি ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেলে আমাকে ঘাড়ে তুলে নাচা হবে এবং একটা কম্পিঊটার প্রদান করা হবে।আমি শুধুমাত্র কম্পিউটার এর লোভে সেবার ধুমা পড়া দিলাম।অবশেষে একদিন রেজাল্ট দিল।ওই দিনের কথা আমার এখনো মনে আছে।স্কুলের মাঠে ক্রিকেট খেলতেসি।আমি ব্যাটিং এ।ই সময় বন্ধু সৌ্মিক দৌড়ে এসে বলল অনীক তুই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাইসিস!! খেলা গেল মহাকাশে আমি শিক্ষা অফিসে গিয়ে রেজাল্ট দেখেই সাইকেল নিয়ে বাসায় গেলাম।সে সময় আব্বু প্রতিদিন বিকালে রবীন্দ্রসঙ্গিত রেওয়াজ করত।আমি নিচ থেকে চিল্লায়ে আব্বু কে ডাকলাম,"আব্বু আমি ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাইসি" আব্বু তৎক্ষনাৎ গান বাদ দিয়েনিচে এসে আমারে বলল,"মশকরা করতেসিস না তো,ঠিক দেখেছিল তো?"
আমি বললাম,"বিশ্বাস না হলে শিক্ষা অফিসে চল"
আব্বু আমাকে নিয়ে রেজাল্ট দেখে আশ্বস্ত হল...।
এরপরের কাহিনী টা লজ্জাস্কর!!
আব্বু আমাকে ঘাড়ে নিয়ে সে কি নাচা নাচি!!
এত বড় ছেলেকে নিয়ে নাচে কেঊ?
আমার ইজ্জতের ফালুদা হইলেও আব্বুর ভালবাসা টা বুঝে ছিলাম।
ছোটখাট মানুষ টার বুকের ছাতি সেদিন গর্বতে তার সাইজের থেকে ও বড় লাগছিল।।

আজ অনেক দিন পর এসব মনে পড়ল,মিসিং মাই ওল্ড ডেজ,মিসিং মাই প্লেস।।।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×