ছেড়া একটা ঠোঙ্গায় দুঃখ মুড়ে হাটা শুরু করলাম,
হাটছি তপ্ত রোদে,চকচকে পিচ ঢালা পথে,
পকেট বন্দী দুঃখ গুলোকে চাপড়ে দিয়ে আশে পাশে তাকালাম!
দুপুরে,কোন দিক থেকে জানি বাতাস আসে,
গরম গরম বাতাস!! লু বাতাস!!
লু বাতাসে আমি হাটছি,হাটতে বেশ লাগছে!!
লু বাতাস আমার পঙ্খীরাজ,আমি পংখীরাজে চেপে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিচ্ছি!!
আমার মাঝে মাঝে মনে হয় সমগ্র ঢাকা শহর এক বিশাল এক বিলবোর্ড !!
ট্রাকের গায়ে লেখা থাকে সমগ্র বাংলাদেশ বাইশ টন,পৃথিবীর মানচিত্রে লেখা থাকবে সমগ্র ঢাকা বিশাল এক বিলবোর্ড !!
বছর বছর বিলবোর্ড চেঞ্জ হবে,কখনো লাক্স কখনো রুচি ঝাল চানাচুর আবার কখনো কখনো সেনশেশন অথবা প্যানথার জায়গা পবে মানচিত্রে!!
শাহবাগের মোড়ে পৌছুতেই তীব্র নিকোটিনের অভাবজনিত মাথাব্যথার সম্মুখীন হলাম!!
সুদৃশ্য প্যাকেটমোড়া আজরাঈলের তীব্র আবেদন উপেক্ষা করা সমভব হলো না!!
কিছুক্ষন পর টাল হওয়া সাইকেলের সামনের চাকার মত অবস্থা কাটিয়ে রাজু ভাস্কর্যের মঞ্চে উঠে ছেড়া ঠোঙ্গা টা বের করলাম!!
তখন প্রায় সন্ধ্যা,সূ্র্যটা কেদে কেটে চোখ টা ভীষন রকম লাল করে ফেলেছে!!
আমি ফু দিয়ে দুঃখ গুলোকে উড়িয়ে দিলাম!!
কয়েকটি পঙ্গু স্মৃতি ভেসে যায়,কতগুলো শুকিয়ে যাওয়া গোলাপের পাপড়ি উড়ে যায়,ধুলো মাখা একটা রুমাল অথবা ক্রমশ বাকা লাইনে লেখা একটা চিঠি হারিয়ে যায়!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




