শ্রাবণী চোখ খুলে দেখল জয়ন্ত জব্বার মিয়ার হাত ধরে পাসল পরীক্ষা করছে। শ্রাবণী
কোনোভাবে উঠে বসল। শরীরের নানা জায়গা ক্ষতবিক্ষত হয়ে আছে। একটু নড়লেই প্রচণ্ড
ব্যথায় শরীর অবশ হয়ে আসতে চায়, সেই অবস্থায় হামাগুড়ি দিয়ে জয়ন্তর কাছে যেতে যেতে
বলল, "কী হয়েছে ?"
"অবস্থা খুব ভালো না। তবে রক্তটা বন্ধ করা দরকার।"
"তবু ভালো।"
"হঁ্যা। কিন্তু এখনই হাসপাতালে নেওয়া দরকার।"
শ্রাবণী বিচিত্র দৃষ্টিতে জয়ন্তের দিকে তাকাল। সে এখনো একজনকে হাসপাতালে নেয়ার
কথা ভাবছে ব্যাপারটি তার বিশ্বাস হতে চায় না। জয়ন্ত এলকোহলে ভরা একটা বিকার শ্রাবণীর
দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, "নে, তোর শরীরের রক্ত মুছে নে। দেখতে খুব খারাপ লাগছে।"
শ্রাবণী আবার জয়ন্তর দিকে তাকাল। দেখতে খারাপ লাগা না-লাগার ব্যাপারটি নিয়ে
এখনো কেউ মাথা ঘামাতে পারে সেটিও তার বিশ্বাস হয় না।
জয়ন্ত নরম গলায় বলল, "আয় কাছে আয়, তোর মুখটা মুছে দিই।"
শ্রাবণী কিছু বলার আগেই জয়ন্ত একটা কাপড়ের টুকরো এলকোহলে ভিজিয়ে শ্রাবণীর
কপাল এবং গালে শুকিয়ে থাকা রক্ত মুছে দিতে দিতে বলল, "তোকে সব সময় দেখেছি
সেজেগুজে সুন্দর হয়ে থাকা একজন মানুষ। তাই তোকে এভাবে দেখলে আমরা ইনসিকিওর
ফিল করি।"
ক্ষতস্থানগুলোতে এলকোহলের স্পর্শ লাগামাত্র জায়গাগুলো তীব্রভাবে জ্বালা করে ওঠে।
শ্রাবণী দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করল। জয়ন্ত নিচুগলায় বলল, "সবচেয়ে সমস্যাটা হয়েছে কি
জানিস ?"
"কী ?"
"পানি।"
"হঁ্যা, তৃষ্ণায় বুকটা একেবারে ফেটে যাচ্ছে।"
"এত বি
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




