somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মঙ্গল শোভাযাত্রা, অমঙ্গলের আশংকা

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলাম ধর্মভীরুদের দেশ। এখানে ধর্মীয় বিষয়ে যে কোন প্যাঁচ কিংবা টালবাহানা এখনো সহজে হজম করে না মানুষ। সরকারগুলো প্রতিযোগীতায় নামে কে কার চেয়ে বেশী ধার্মিক সেটা দেখানোর। আওয়ামী লীগ নিজে চাইলেও জনরোষের আশংকায় রাষ্ট্রধর্ম এখনো বাতিল করার সাহস পাচ্ছে না। শুক্রবারের ছুটি বাতিল করতে পারছে না। হজ্জ্ব নিয়ে মন্তব্য করার পর একজনের মন্ত্রীত্ব চলে যায়। যদিও একই আওয়ামী লীগ কথায়, কাজে অনেক ইসলাম বিরোধী পদক্ষেপ নিয়েছে। মতিঝিলে ৪০+ মাদ্রাসা ছাত্র হত্যার পরও এই সরকারের কেউ কিছু করতে পারেনি। এখন আর আওয়ামী লীগ কোন আন্দোলনকে ভয় পায় না।

পত্রিকায় পড়লাম, এবার নাকি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রা করতে বলা হয়েছে। এটা করে আওয়ামী লীগের বাড়তি কী লাভ হবে আমার মাথায় ঢুকে না(ঠিক যেমন ঢুকেনা সুপ্রীম কোর্টের সামনে মূর্তি বসানোর ব্যপারটা)। বিরোধী মত দমন করার পাশাপাশি সরকার উন্নয়নও করছে ভালো কথা সেখানে এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে শান্ত জনতাকে কেন অশান্ত করা হয় সেটা বোধগম্য নয়।

প্রতিটা দেশ নববর্ষ পালন করতেই পারে। আমরাও গর্বিত আমাদের একটা আলাদা বর্ষপুঞ্জি আছে। কিন্তু পহেলা বৈশাখের এই কথিত শোভাযাত্রা কোন সার্বজনীন শোভাযাত্রা নয়। এটার বৈশিষ্ট্য হলো এখানে পেঁচা, বাঘ. ময়ুর সহ আরো কিছু বড় বড় মানুষের মুখোশ/প্রতিকৃতি থাকতে হবে। আর এখানেই ইসলাম ধর্মভীরুদের যত আপত্তি। খেয়াল করেন, কোন মুসলমান রথযাত্রা নিয়ে কথা বলছে না। বলছে পহেলা বৈশাখের 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' নিয়ে। আর নাম এবং উদ্দেশ্যটাও(নতুন বছরে নাকি পেঁচা দিয়ে মঙ্গল হবে!) তো ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক।

বি এন পি মৃত একটা দল। জামায়াত কোণঠাসা। হেফাজতকেও সাইজ করা হয়েছে। এই সরকার অনায়াসে তার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানে কেন মাঝে মাঝে এসব 'আজাইরা' সিদ্ধান্ত গুলো(ধর্মীয় মূল্যবোধ বিরোধী) নেয়া হয় বুঝে আসে না। এখন যদি অন্য পক্ষ একটা পাল্টা শোভাযাত্রা করে আর এই মূর্তি, মুখোশগুলো নষ্ট করতে চায় তখন এর দায়ভার কে নেবে? এতদিন পর্যন্ত এটা এমনিতেই চলছিল। হুজুরেরাও কিছু বলেনি। এখন বাধ্যতামূলক করার কারণে হুজুরেরাও উত্তেজিত হয়ে এখন এটা প্রতিরোধের কথা বলছে। তাহলে আমার এই শান্ত দেশটাতে কিছুটা অমঙ্গলের আশংকা করতেই পারি। মাঝে মাঝে যৌন নিপীড়নের কথা নাই বা বললাম।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:৫১
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×