বিজয়গাথা বারবার লিখতে কোন কষ্ট নেই,সমস্যা নেই পড়তেও। আজ সারাদিন তো গেছে পত্রিকায় বাংলাদেশের জয়ের গল্প পড়ে,নেটে পড়েছি ভারতীয়দের নাকিকান্না,এখনো পড়েই যাচ্ছি। সারারাত দেখলাম খেলার বিশ্লেষণ,যার ফলাফল,সকালে ঘুম থেকে উঠতে না পেরে ক্লাসই মিস। আর বাঘের বিজয়ে আমরাও সবাই এখন বাঘ,আমাদের হুংকারে সংশয়বাদীদের এখন কান পাতাই দায়। অনেক অপমান সহ্য করে গেছি আমরা,অনেক অবহেলার দিন গেছে,এমনকি এই বিশ্বকাপের আগ দিয়েও,নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পরও,কোন 1টা সাইটে বাংলাদেশের মোট ওয়ানব্জ্বড জয়ের সংখ্যা মাত্র 12টি দেখে অসহায় রাগে হাত কামড়েছি,আমাদের ছেলেরা এখন সুযোগ দিয়েছে তার জবাব দেয়ার। অব্জ্বস্ট্রলিয়াকে হারাবার পরেও ক্রিকইনফোর কোন এক বর্ণবাদী জারজ ভারতীয় রিপোর্টার সেই জয়ের মহিমাকীর্তণের চেয়ে বাংলাদেশের অনিয়ম আর দারিদ্র্য নিয়ে গবেষণাতেই বেশি উৎসাহী ছিল,মেইলে সামান্য কিছু গালিগালাজ দেয়া ছাড়া কিছু করতে পারিনি তখনো,আজ দেখতে খুব ইচ্ছা করছে সেই রিপোর্টারের চেহারা। সেট ম্যাক্সের পর্দায় খেলার আগে মন্দিরা বেদির ভারত 320 রান করবে এই দাবী শুনে দাঁত কিড়মিড় করেছি,এমনকি ভারত 191 করার পরেও এই মহামূর্খটার 1983 সালের ভারতের বিজয়ের উদাহরণ টানা দেখে করুণা বোধ করেছি, কিন্তু বাংলাদেশের জয়ের পর মন্দিরা আর চারু শর্মা আর তাদের সাথে কতিপয় ভাড়াটে ভিনদেশী ধারাচাটুকারের বিরস মুখে অতিকষ্টে বাংলাদেশের গুণকীর্তণের চেষ্টা দেখে নির্মল আনন্দ পেয়েছি,যদিও ভারতীয়দের কাছে সেটা পৈশাচিক আনন্দ মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। দেখ ব্যাটারা এইবার,আমরা খেলতে পারি কিনা! না,ওদের করুণ মুখ দেখে আমার করুণা হয়নি,হবেও না কখনো,এতদিনের অপমান এত সহজেই ভুলে যাব? বারবার এমন দেখতে চাই,শুধু ওদের না,বাকিদেরও শুনিয়ে দিতে চাই এই গর্জন। এই সুযোগটুকু করে দেয়ার জন্য আমাদের ব্যাঘ্রশাবকদের অভিবাদন। জয়তু বাংলাদেশ। এরপর কে??
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




