
চমকে দিলেন যখন মোদী
সন্দেহ নেই, একেবারেই চমকে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। সকালে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফোন এবং তার পরেই আচমকা লাহৌরে নেমে সটান পাক প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে— কূটনৈতিক দুনিয়ায় স্মরণকালে এমন নাড়া দেওয়া ঘটেনি, যা শুক্রবার ঘটালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
কংগ্রেস প্রত্যাশিত ভঙ্গিতেই এর যারপরনাই সমালোচনায় নেমেছে। এবং, রাহুল গাঁধীর ক্রমাগত আস্তিন-গোটানো হাতের আশীর্বাদ-আকাঙ্ক্ষায় প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ে একের পর এক কংগ্রেস নেতা বাছা বাছা শব্দ প্রয়োগ করে মোটের উপর যেটা বোঝাতে চাইছেন, তা হল, মোদী আজ দেশকে যে পর্যায়ে নামিয়ে আনলেন, তা তাঁদেরও কল্পনার অতীত ছিল।
এমন নয় যে শাসকপক্ষের কাছেও রহস্যের চাবিকাঠিটা আছে। কেউ বলছেন, আগে থেকেই ট্র্যাক টু-তে কথা চলছিল, তারই পরিণতি এই সফর। কেউ বা বলছেন, একেবারেই না, আচমকা এবং একেবারেই স্বতস্ফূর্ত এই সিদ্ধান্ত।
গোপন ট্র্যাক টু-ই হোক বা স্বতস্ফূর্ত— যে ভাবেই হয়ে থাকুক না কেন, তর্কাতীত ভাবে বলা যায়, ব্যক্তিগত মুহূর্তকে ব্যক্তিগত ভঙ্গিমায় ব্যবহার করে কূটনৈতিক যে রাস্তার পথ দেখালেন মোদী, তা প্রশংসনীয়। দুই দেশের মানুষ পরস্পরের বিভেদ ঘুচিয়ে মিলনে আগ্রহী। কাঁটাতার থাকুক সীমান্তে, হৃদয়ে-ভাবনায় থাকবে কেন? ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ তো সেই স্বপ্নেরই ফেরিওয়ালা।
এই স্বপ্ন যদি কোনও দিন বাস্তব হয়, তবে ইতিহাস বলবে, সেই পথের প্রথমদিকের ইটটাকে বসিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী। এক জুম্মাবারের বিকেলে লাহৌরে আচমকা সফর করে।
কিন্তু পাঠানকোটের গতদিনের জঙ্গীহানা কেন জানি ভারত পাকিস্থানকে বিছিন্ন করতেই ৷ মোদীজী অবশ্য জানিয়েছেন এই সম্পর্কের চির ধরবে না ৷
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ১২:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




