
ভারত ও পাকিস্তান, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক এতটাই স্পর্শকাতর যে, সামান্যতম ঘটনাতেও তাতে জোর টান পড়ে। সেই টান এতটাই তীব্র হয় যে, ছিঁড়ে পড়ারও উপক্রম হয় মাঝেমধ্যে। দু’দেশেই যুদ্ধ-যুদ্ধ উত্তাপের পরিবেশ তৈরি হয়, সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে উগ্র দেশপ্রেম এবং প্রতিবেশীর উদ্দেশে উগ্রতর ঘৃণার গর্জিত প্রকাশ শুরু হয় এবং এই সব অনুযায়ীই রাজনৈতিক প্রশাসন-বিরোধীরা ঘন ঘন হুঙ্কারে সার্বিক পরিস্থিতিকে যথেষ্ট উত্তেজক করে তোলেন।
পাঠানকোটের জঙ্গি হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক, বড় একটা ঘটনা। এহেন ঘটনার পরেও বরং সংযত আবরণের প্রকাশের ইঙ্গিত উপমহাদেশের জন্য নতুন একটা মোড়ই নয়, অত্যন্ত ইতিবাচক এক মোড়। রণং দেহি মনোভাবের বদলে সুচিন্তিত, সংযত মনোভাবের প্রকাশ নিঃসন্দেহে স্বাগতযোগ্য।
এই পরিস্থিতিতেই নরেন্দ্র মোদীকে নওয়াজ শরিফের ফোন এল পাঠানকোটের পটভূমিকায়। যুদ্ধের দামামার শব্দে এতগুলো বছর কেটে যাওয়ার পর দুই দেশই কি বুঝতে পারছে, বারুদের ধোঁয়ায় উন্নতির পথ শুধু আচ্ছন্নই হয়ে যায়?

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




