
নিয়নের মেয়ে
নিয়নের মেয়ে,আমাদের ছাদশহরে আসো
এখানে সন্ধ্যা নামলে
মোড়ে মোড়ে হেলোজেন আলোরা ভিড় করে
এখানে সকাল নামলে
সোঁদালী পিরিচের সড়ক ধরে কড়া লিকারের রং চা
আমাদের ঠোঁটে ঠোঁটে এসে দৌড়োয়
এখানে ইস্পাহানি ছাড়া অন্য চা চলে না
তোমার জন্য এই চা বিক্রেতাকে বলে রেখেছি
সে যেনো কড়া লিকারে এক কাপ চা তৈরি করে রাখে
তোমার আসার পথে
আটকে দিয়ে রেখেছি যান্ত্রিক যান
যেনো,তোমার সুশোভিত নরম শরীরে
কোন যান ধাক্কা দিয়ে দৌড়ে যেতে না পারে
জানি, তুমি এখনো চোখে মার্কারি চশমা পরো
বেণিতে যখন গ্রাডিয়েন্ট কালারের রোদ পড়ে
আমাদের শহর আর অন্ধকার থাকে না
অমানুষ
যে বিষের স্বীকৃতি নেই
তাতে অনুশোচনা লিখেছি আমি
যে ক্লান্তিতে তাপ নেই
তাতে গতর ঢেলেছি অযথায়
মুলতঃ ছোঁয়াচে আয়েশে
নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছি—
হাটখোলার জটিল রাজনীতিবিদ আমি নই
খুব মতান্তরে ঢেলেছি অভিনয়
আঙুলে ছুঁয়েছি ক্রুশের চাবি
এ নিয়ে গ্রহ-মল্লিকাদের দায় নেই
নিতান্তই অবিক্রিত থেকে যাই আমি
প্রচুর জীবাণু ঘুরছে ফিরছে,জীবনে জীবনে
চুলের সিঁথিতে আলাপের সড়ক চলে গেছে
সেই সড়কে——
আমি নিতান্তই একটা অমানুষ দাঁড়িয়ে আছি
বোতলগৃহ ও অনাগত সূর্য
বোতলের গহীন থেকে বেরিয়ে এসে
ধাতব আকাশের নিচে দাঁড়াও
দেখো, প্রজাপতির নিশানায় তুমিও আছো
বোতলগৃহকে আমি বলি ‘মৃত নক্ষত্রের ছাইঘর’
তোমরা ওখানে বহুকাল ধরে ঘুমোচ্ছো
কোন একদিন এখানে সকাল হবে, শুনেছি
যে যার মতো নাচ বানাবে,ঘুড়ি বানাবে
রমণীরা শাড়ীর ভাঁজ খসালে বিজ্ঞানীরা বলবে
দেশে সকাল পড়েছে
তোমাদের দিকে অনেক প্রতিশ্রুতি ঝুলে আছে
অনেক ঋণ ঝুলে আছে জনে জনে
বোতলগৃহ থেকে এখনি বেরিয়ে আসার সময়
মাথাটা উঁচিয়ে,বেলকোনির দিকে তাকাও
দেখো,কলকলিয়ে হাত বাড়িয়েছে অনাগত সূর্য
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



