ধন্যবাদ বাংলাদেশের হ্যাকারদের। মিয়ানমারকে একটা শিক্ষা দেওয়া উচিত। ওরা মানবাধিকার লংঘন করে রোহিঙ্গাদের নির্মম ভাবে হত্যা করতেছে, দেশ থেকে বিতারিত করতেছে। আর তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ ফাটাবাশের চিপায় পড়ে তার মাশুল দিচ্ছে। বাংলাদেশের কি দায় পড়েছে যে রোহিঙ্গাদের দায়িত্ব বাংলাদেশকে নিতে হবে? বরং বাংলাদেশ তাদের খাদ্য, চিকিতসা ও জ্বালানি দিয়ে মানবিক সহায়তা দিয়ে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছে। এজন্য মিয়ানমারের কৃতজ্ঞ থাকা উচিত ছিল। কিন্তু পরিবর্তে আমরা দেখতেছি মিয়ানমার আমাদের বিরুদ্বে সাইবার যুদ্ধ ঘোষনা করেছে। সুতরাং সময় এসেছে এখন আমাদের শত্রু চেনার। আসলে আমরা যাদের বন্ধু ভাবছি তারা আমাদের শত্রু ভাবে। তাই জেগে উঠো বাংলাদেশের মানুষ, মাথা নিচু করে এই পৃথিবীতে ভাল থাকা সম্ভব নয়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ সব করে দেশের সম্মান সমুন্নত রাখতে হবে। মিয়ানমার যে সাইবার যুদ্ধের ঘোষনা দিয়েছে, মিয়ানমারকে বুঝিয়ে দিতে হবে বাংলাদেশ কি। বাংলাদেশের বন্ধুত্বকে মিয়ানমার দুর্বলতা মনে করেছে তাদেরকে এমন শিক্ষা দিতে হবে যাতে তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছু বলার আগে একশ বার চিন্তা করে। ঝাপিয়ে পড়ো বাংলাদেশের হ্যাকার ভায়েরা, আমরা আছি তোমাদের সাথে। ধন্যবাদ বাংলাদেশ সাইবার আর্মি, ধন্যবাদ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারস। ভারতের মত মিয়ানমারকেও সাইবার যুদ্ধে আমরা নিশ্চিত পরাজিত করব, ইনশাআল্লাহ।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




