somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আঞ্চলিকতার বিষ বাষ্পে কলুষিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং একজন শিক্ষক আনোয়ার চৌধুরী।

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আঞ্চলিকতার বিষ বাষ্পে কলুষিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয় পরশ্রীকাতর শিক্ষক নামধারী গ্রুপিং বাজদের প্রতিহিংসার এক বলির নাম শিক্ষক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

চট্টগ্রামের বাহিরের জেলার মানুষ (তাদের ভাষায় "ভইংগা") হয়েও ভিসি তথা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে আনোয়ারের বাড়তে থাকা প্রভাব স্থানীয় কিছু সুবিধাবাদি এবং স্বার্থান্বেষী (অবশ্যই সবাই নয়) শিক্ষকবেশী কূপমুন্ডককে আনোয়ার ঠেকাও নামক অনৈতিক ষড়যন্ত্রে শামিল করেছে।

চট্টগ্রামের অনেক মানুষের মেজবান আর মেহমানদারি যেমন সর্বজনবিদীত ঠিক তেমনি চট্টগ্রামের কিছু কিছু মানুষের আঞ্চলিকতা আর কূপমুন্ডকতাও সারাদেশে পরিচিত। যারা এসবের শিকার হয়েছেন তারাই কেবল এর প্রকৃত স্বরুপ বুঝতে পারবেন।

এই কূপমুন্ডকদের দল গত ২০ বছর ধরে চট্টগ্রামের বাহিরের জেলার অনেক যোগ্যতম একাডেমেশিয়ান অধ্যাপককে সরকারের সদিচ্ছা থাকার পরও উপাচার্য হতে দেয়নি কেবল চট্টগ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা নয় বলে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে কোন ভইংগা শিক্ষককে প্রভাবশালী হতে দেখলে ছলে বলে কৌশলে সদলবলে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে অপদস্থ্ ও নিগৃহীত করতেও ওরা পিছপা হয়না।

এভাবে আঞ্চলিকতার বিষ বাষ্পে কলুষিত করে এসব কূপমুন্ডকের দল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে "বিশ্ববিদ্যালয়" শব্দটির অর্থই বদলে দিয়ে আঞ্চলিক বিদ্যালয়ে পরিণত করেছে।

বর্তমানে শিক্ষক আনোয়ার হোসেন চৌধুরীকে ফাঁসানোর জন্য এই ষড়যন্ত্রীদের ক্রীড়নক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছেন খুন হয়ে যাওয়া ছাত্রনেতা দিয়াজের স্থল-কুলহীন পরিবার। জেনে হোক আর না জেনে হোক, এসব নোংরা ষড়যন্ত্রে শামিল হয়ে পরিবারটি বরং তাদের সন্তান এবং ভাইয়ের প্রকৃত খুনিদের আড়াল হতেই সহযোগিতা করছে।

এদেশে ফাঁসির আসামিও জেল থেকে ছাড়া পেয়ে যায় অথচ কোন প্রকার চা্জশীট বা অভিযোগপত্র হওয়ার আগেই আঞ্চলিকতায় কলুষিত কূপমুন্ডক ষড়যন্ত্রী শিক্ষককদের দল আর স্থানীয় সাংবাদিকদের অপপ্রচারের মাধ্যমে শিক্ষক আনোয়ার চৌধুরীকে হাজতবাস করিয়ে ওরা বিকৃত আনন্দ পাচ্ছে!

সবাই জানে প্রকৃত খুনি কারা, এবং এও জানে প্রকৃত খুনিরা সবসময় বীরদর্পে বিচরণ করে যাবে আর বার বার বলি হবে আনোয়ারের মত গিনিপিগ ব্যক্তিরাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ রাত ৮:৫১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×